নারীকে বাধ্যতামূলকভাবে কুমারীত্ব পরীক্ষা করানো যাবে না৷ এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ লঙ্ঘন করে৷ অনুচ্ছেদ ২১ মানুষের জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষার মৌলিক অধিকার রক্ষা করে ৷ যার মধ্যে মর্যাদার অধিকারও রয়েছে ৷ কুমারীত্ব পরীক্ষায় জোর করা মর্যাদার অধিকারকেই লঙ্ঘন করে। একটি ফৌজদারি আবেদনের জবাবে এই পর্যবেক্ষণ ছত্তিশগড় হাইকোর্টের৷ ২১ অনুচ্ছেদকে ‘মৌলিক অধিকারের হৃদয় হিসেবে উল্লেখ করে ছত্তিশগড় হাইকোর্ট জানিয়েছে, কুমারীত্ব পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া ‘মৌলিক অধিকার, প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের মূল নীতি এবং একজন নারীর গোপন শালীনতা’র পরিপন্থী হবে। বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ভার্মা একজন ব্যক্তির দায়ের করা একটি ফৌজদারি আবেদনের জবাবে এই পর্যবেক্ষণ করেছেন ৷ ওই ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী’র কুমারীত্ব পরীক্ষার আর্জি জানিয়েছিলেন ৷ তাঁর অভিযোগ, স্ত্রী অন্য একজন পুরুষের সঙ্গে ‘অবৈধ’ সম্পর্কে ছিলেন। পারিবারিক আদালতের ১৫ অক্টোবর, ২০২৪ সালে দেওয়া একটি আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন তিনি ৷ যদিও হাইকোর্ট ওই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে । ওই ব্যক্তির স্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, স্বামী পুরুষত্বহীনতায় ভুগছে ৷ তিনি সহবাস করতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছেন । হাইকোর্ট জানিয়েছে, আবেদনকারী যদি পুরুষত্বহীনতার অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণ করতে চান, তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল পরীক্ষা করাতে পারেন অথবা অন্য কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন।
