দেশ

বিনোদন
বিদেশ
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
জ্যোতিষ
কলকাতা
ক্ষুদ্র-ছোট ও মাঝারি শিল্প বাঁচাতে পিএফে ভর্তুকির ভাবনা
রাজ্যে শিল্পে জোয়ার আনতে এবং কর্মসংস্থানের চাকা ঘোরাতে বৃহস্পতিবারই আনুষ্ঠানিক ভাবে বহু প্রতীক্ষিত নয়া শিল্পনীতি প্রকাশ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, এই নীতিতে মহিলা ও রূপান্তরকামীদের বেশি সংখ্যায় কাজে টানতে বিনিয়োগকারীদের জন্য একগুচ্ছ আর্থিক স্বস্তির রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা এমএসএমই ক্ষেত্রে নিয়োগ বাড়াতে উদ্যোগী সরকার। নিয়োগকর্তার কাঁধের আর্থিক বোঝা কমাতে কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকায় বড়সড় সরকারি ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, কোনও কারখানা বা শিল্প ইউনিট কর্মী নিলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তাঁদের জন্য ইপিএফের অর্থ জমা রাখতে হয়। সেই খরচের একটা বড় অংশই এবার মিটিয়ে দেবে রাজ্য। মহিলা ও রূপান্তরকামী কর্মী নিয়োগ করলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে দেওয়া হবে সব চেয়ে বড় সুবিধা। তাঁদের ক্ষেত্রে সংস্থার দেওয়া ইপিএফের 100 শতাংশ টাকাই ভর্তুকি হিসাবে ফেরত দেবে সরকার।
পুরুষ কর্মীদের জন্য 50 শতাংশ অর্থ ফেরত পেতে পারেন নিয়োগকর্তারা। দুই ক্ষেত্রেই একটানা 10 বছর পর্যন্ত এই সুবিধা বহাল থাকবে। তবে স্পষ্ট করা হয়েছে, কর্মীদের বেতন থেকে পিএফের যে অংশ কাটা হয়, তাতে কোনও ভর্তুকি থাকবে না। সুবিধা পাবেন কেবল নিয়োগকর্তা অর্থাৎ লগ্নিকারীরাই। এমএসএমই ক্ষেত্রে একটি অর্থবর্ষে একটি ইউনিট সর্বোচ্চ 5 কোটি টাকা পর্যন্ত ইপিএফ ভর্তুকি দাবি করতে পারবে। ছোট শিল্পের পাশাপাশি বড় কারখানার জন্যও এই সুবিধার দরজা খোলা থাকছে। বড় শিল্প সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে কর্মীদের জন্য জমা দেওয়া ইপিএফের 50 শতাংশ পর্যন্ত টাকা ফেরত পাওয়ার প্রস্তাব রয়েছে নতুন নীতিতে। তবে এই সুবিধা মিলবে সর্বোচ্চ 5 বছর পর্যন্ত। বড় শিল্পের ক্ষেত্রে অবশ্য মহিলা কিংবা রূপান্তরকামী কর্মীদের জন্য বাড়তি কোনও ভর্তুকির ব্যবস্থা থাকছে না।
প্রশাসনের একাংশের মতে, কর্মীর বেতনের পাশাপাশি পিএফের টাকা জমা দিতে গিয়ে লগ্নিকারীদের যে বাড়তি আর্থিক দায় তৈরি হয়, এই ভর্তুকির ফলে তা অনেকটাই লাঘব হবে। ফলে বেসরকারি ক্ষেত্রে নতুন কাজের সুযোগ দ্রুত বাড়বে। বৃহস্পতিবার সরকারি ভাবে এই নীতি প্রকাশের সময়ই সব চূড়ান্ত শর্তাবলী স্পষ্ট করে দেওয়া হবে। রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই শিল্পমহলকে বার্তা দিয়েছেন। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানের দিকেও বাড়তি নজর দিচ্ছে তাঁর সরকার।
জেলা
ক্ষুদ্র-ছোট ও মাঝারি শিল্প বাঁচাতে পিএফে ভর্তুকির ভাবনা
রাজ্যে শিল্পে জোয়ার আনতে এবং কর্মসংস্থানের চাকা ঘোরাতে বৃহস্পতিবারই আনুষ্ঠানিক ভাবে বহু প্রতীক্ষিত নয়া শিল্পনীতি প্রকাশ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, এই নীতিতে মহিলা ও রূপান্তরকামীদের বেশি সংখ্যায় কাজে টানতে বিনিয়োগকারীদের জন্য একগুচ্ছ আর্থিক স্বস্তির রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা এমএসএমই ক্ষেত্রে নিয়োগ বাড়াতে উদ্যোগী সরকার। নিয়োগকর্তার কাঁধের আর্থিক বোঝা কমাতে কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকায় বড়সড় সরকারি ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, কোনও কারখানা বা শিল্প ইউনিট কর্মী নিলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তাঁদের জন্য ইপিএফের অর্থ জমা রাখতে হয়। সেই খরচের একটা বড় অংশই এবার মিটিয়ে দেবে রাজ্য। মহিলা ও রূপান্তরকামী কর্মী নিয়োগ করলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে দেওয়া হবে সব চেয়ে বড় সুবিধা। তাঁদের ক্ষেত্রে সংস্থার দেওয়া ইপিএফের 100 শতাংশ টাকাই ভর্তুকি হিসাবে ফেরত দেবে সরকার।
পুরুষ কর্মীদের জন্য 50 শতাংশ অর্থ ফেরত পেতে পারেন নিয়োগকর্তারা। দুই ক্ষেত্রেই একটানা 10 বছর পর্যন্ত এই সুবিধা বহাল থাকবে। তবে স্পষ্ট করা হয়েছে, কর্মীদের বেতন থেকে পিএফের যে অংশ কাটা হয়, তাতে কোনও ভর্তুকি থাকবে না। সুবিধা পাবেন কেবল নিয়োগকর্তা অর্থাৎ লগ্নিকারীরাই। এমএসএমই ক্ষেত্রে একটি অর্থবর্ষে একটি ইউনিট সর্বোচ্চ 5 কোটি টাকা পর্যন্ত ইপিএফ ভর্তুকি দাবি করতে পারবে। ছোট শিল্পের পাশাপাশি বড় কারখানার জন্যও এই সুবিধার দরজা খোলা থাকছে। বড় শিল্প সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে কর্মীদের জন্য জমা দেওয়া ইপিএফের 50 শতাংশ পর্যন্ত টাকা ফেরত পাওয়ার প্রস্তাব রয়েছে নতুন নীতিতে। তবে এই সুবিধা মিলবে সর্বোচ্চ 5 বছর পর্যন্ত। বড় শিল্পের ক্ষেত্রে অবশ্য মহিলা কিংবা রূপান্তরকামী কর্মীদের জন্য বাড়তি কোনও ভর্তুকির ব্যবস্থা থাকছে না।
প্রশাসনের একাংশের মতে, কর্মীর বেতনের পাশাপাশি পিএফের টাকা জমা দিতে গিয়ে লগ্নিকারীদের যে বাড়তি আর্থিক দায় তৈরি হয়, এই ভর্তুকির ফলে তা অনেকটাই লাঘব হবে। ফলে বেসরকারি ক্ষেত্রে নতুন কাজের সুযোগ দ্রুত বাড়বে। বৃহস্পতিবার সরকারি ভাবে এই নীতি প্রকাশের সময়ই সব চূড়ান্ত শর্তাবলী স্পষ্ট করে দেওয়া হবে। রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই শিল্পমহলকে বার্তা দিয়েছেন। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানের দিকেও বাড়তি নজর দিচ্ছে তাঁর সরকার।
খেলা
ভারতের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের
ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয় ছিনিয়ে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রাঁচির মাঠে শুক্রবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে শাই হোপের দুর্দান্ত শতরান এবং শার্ফেন রাদারফোর্ডের বিধ্বংসী ইনিংসের সুবাদে ভারতের দেওয়া বিশাল রান তাড়া করে ৬ উইকেটে জয় তুলে নিল ক্যারিবিয়ানরা (India vs West Indies)। এটি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবচেয়ে সফল রান তাড়ার নতুন রেকর্ড। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৯ রানের পাহাড়প্রমাণ স্কোর দাঁড় করায় টিম ইন্ডিয়া। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই ময়ঙ্ক যাদবের জোড়া ধাক্কায় ৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে সেখান থেকে দলের ইনিংসের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন শাই হোপ। মাত্র ৪৫ বলে ১০২ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন শার্ফেন রাদারফোর্ড, যিনি মাত্র ৩৭ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস উপহার দেন। এই দুই ব্যাটার ভারতের বোলিং আক্রমণকে পাত্তাই না দিয়ে ১৮.৩ ওভারেই ৪ উইকেটের বিনিময়ে ২৫২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় এবং পাঁচ ম্যাচের সিরিজে সমতা ফেরায়।
ভাইরাল
যৌনকর্মের পেশা সরকারি স্বীকৃতির দাবি মডেল-অভিনেত্রী পুনম পাণ্ডের, বললেন এটি ‘সমাজসেবা’
বিতর্ক আর পুনম পান্ডে যেন একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। মডেল ও অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত এই তারকা নিজের নানা কর্মকাণ্ড ও খোলামেলা মন্তব্যের কারণে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। এবার যৌনকর্মের পেশাকে সরকারি স্বীকৃতি ও আইনি কাঠামোর আওতায় আনার পক্ষে মত দিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে সমাজে নারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ কমানোর বিভিন্ন উপায় নিয়ে কথা বলেন পুনম। সেখানেই তিনি বলেন, বর্তমানে পুরুষদের মধ্যে মানসিক চাপ অনেক বেড়েছে। তার মতে, যৌনকর্মকে সরকারিভাবে বৈধতা দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ও নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মধ্যে আনা হলে নারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অনেক অপরাধ কমানো সম্ভব হতে পারে। নিজের বিভিন্ন খোলামেলা ভিডিও নিয়েও কথা বলেন পুনম। এসব ভিডিও তৈরি করাকে তিনি অন্যায় বা ‘পাপ’ বলে মনে করেন না। বরং তার দাবি, এর মাধ্যমে এক ধরনের ‘সমাজসেবা’ করছেন তিনি। পুনমের ভাষ্য, সারাদিনের ব্যস্ততা ও ক্লান্তির পর কেউ যদি তার ভিডিও দেখে কিছুটা মানসিক স্বস্তি পান, তাহলে সেটিকে তিনি মানুষের উপকার হিসেবেই দেখেন। সমালোচকদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে পুনম আরও দাবি করেন, যারা প্রকাশ্যে তার কাজের নিন্দা জানান, তাদের অনেকেই গোপনে তার ভিডিও উপভোগ করেন। মানুষের এই দ্বিমুখী আচরণ নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন বলেও জানান। পুনমের এসব বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ তার মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। কেউ কেউ আবার এটিকে আলোচনায় থাকার আরেকটি কৌশল হিসেবে দেখছেন। এর আগেও বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছিলেন পুনম পান্ডে। ২০২৪ সালে জরায়ুমুখ ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা তৈরির কথা বলে নিজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন এই অভিনেত্রী। নতুন মন্তব্যের মাধ্যমে ফের আলোচনায় উঠে এসেছেন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত পুনম পান্ডে।

