বিবিধ

পাঠকদের জন্য রহস্য রোমাঞ্চ ‘বর্ণচোরার অনুসন্ধানে’ নিয়ে এলেন আফরোজা সুলতানা

পরপর দুটো ইংরেজি উপন্যাসিকার পর এবারে প্রকাশ পেল আফরোজা সুলতানার লেখা প্রথম বাংলা উপন্যাসিকা ‘বর্ণচোরার অনুসন্ধানে’ । প্রকাশক বিভা পাবলিকেশন। আজ গল্পের বইটি প্রথম আত্মপ্রকাশ পায় কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায়। বইমেলায় বিভা পাবলিকেশনের ৪২৯ নম্বর স্টলে বইটি পাওয়া যাচ্ছে। পরে অবশ্য অনলাইনেও বইটি পাওয়া যাবে। বরাবরই সম্পর্কের জটিলতাকে নিজের লেখনীতে তুলে ধরেছেন আফরোজা সুলতানা। তবে এবারে এক ভিন্ন স্বাদ অর্থাৎ রহস্য রোমাঞ্চ নিয়ে হাজির হলেন তিনি । কাহিনীর মূখ্য চরিত্র ঈশানী সেন। এই ঈশানীর চোখেই ধরা পড়ল এক ভুল। প্রসঙ্গত, ইতিহাসের সব ঘটনা বইএর পাতায় লেখা থাকে না। কিছু কিছু ঘটনা সুপ্ত থাকে এক ধাঁধার আড়ালে। দেশ তখন ব্রিটিশ রাজত্বের অধীনে। মুর্শিদাবাদের বুকে জন্ম নিয়েছিল এক অসাধারণ চিত্রকর মিরাজ শাহ। এখনও বছরে একবার তাঁর ছবির প্রদর্শনী হয় মুর্শিদাবাদ ও কলকাতায়। আফরোজার এই গল্পে সেই মিরাজ শাহ-র আঁকা বেশ কিছু ছবি দেখতে দেখতে ঈশানীর চোখে ধরা পড়ল এক ভুল। ঈশানী লক্ষ্য করে তার প্রিয় চিত্রকর মিরাজ শাহ এর আঁকা কিছু ছবিতে তাঁর সই এর বানান ভুল। মিরাজ শাহ-এর স্বাক্ষরের বানানটায় একটা অক্ষর নেই। এই ভুল সই রয়েছে শুধুমাত্র বিশেষ কিছু ছবিতে। সেই ছবিগুলো হচ্ছে এক অপরূপার। দুর্ধর্ষ এই সুন্দরীর কোনও অস্তিত্ব ছিল নাকি এ চিত্রকরের আঁকা কাল্পনিক কোনও রূপ? কেবলমাত্র এই মহিলার ছবিগুলোতেই মিরাজ ভুল সই করেছেন কেন? এই বর্ণচোরার অনুসন্ধান করতে গিয়ে অজানা কিছু তথ্য বেরিয়ে আসবে কি? এই ভূল সই এর পেছনে আছে কি লুকিয়ে বিরল কোনো ঘটনা? এই ভুল ইচ্ছাকৃত না অনিচ্ছাকৃত, নাকি এই ভুল সই এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে কোনও রহস্য? তাই নিয়ে এই গল্প ‘বর্ণচোরার অনুসন্ধানে’।