দিল্লির চাণক্যপুরীতে নিউ বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে আছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে উপস্থিত আছেন SIR-এ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবাদের সদস্যরাও। কমিশনের বিরুদ্ধে আবারও অভব্য আচরণের অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার কমিশনের সঙ্গে বৈঠক মাঝপথেই বয়কট করে বেরিয়ে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,‘নির্বাচন কমিশনেও আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা ফুল দিয়েছি, উনি অপমান করেছেন। রুডলি ব্যবহার করেছেন। গতকাল চিৎকার করতে শুরু করেছিলেন। আমরা তখন বলেছি চিৎকার করবেন না। আমরা আপনার বন্ডেড লেবার নই।’ ৫৮ লক্ষ নামও যদি বাদ যায়, আমরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাব । গতকাল যখন আমি দেখা করেছি, আমি বলেছি, একজন খুনিও তার সপক্ষে কথা বলার সুযোগ পায়। দিল্লির জমিদার ভোটার অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে । আমরা মৌলানা কালাম, নেতাজি সুভাষে আস্থা রাখি। আমরা লাল-বাল-পালে বিশ্বাস করি। বলুন, আমার রাজ্যের সংখ্যালঘুদের বের করে দেব। ভবানীপুরে ৪০ হাজার নাম বাদ। বন্দর এলাকায় ৭০ হাজার নাম ইতিমধ্যেই বাদ পড়েছে। মতুয়াদের থেকে ভোট নিয়ে এখন বিশ্বাসঘাতকতা করছে। বাংলার মিডিয়া জানে, দিল্লির মিডিয়া এসব জানে না। তাই আমরা এসআইআরে ক্ষতিগ্রস্তদের কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। বাংলায় তো ইমারজেন্সি চলছে। এদিন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন করলে, তৃণমূল নেত্রী জবাব দেন, ‘‘আমি রাজনৈতিক জ্যোতিষী নই। তবে আমার মনে হয় আরও বেশি আসনে জিতব।’’ এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর তৃণমূলের ‘রণকৌশল’ কী হবে? মমতার জবাব, ‘‘আমরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাব।’’ সাংবাদিক বৈঠক শেষে মমতা জানান, আবার দিল্লি আসবেন ভোটে জেতার পর। তাঁর কথায়, ‘‘ভোটে জিতে দিল্লি আসব। তখন আপনাদের ভাল মিষ্টি খাওয়াব।’’ তার পরেই কিছুটা রসিকতা করেই সাংবাদিকদের উদ্দেশে মমতা বলেন, ‘‘দিল্লির লাড্ডু নয়।’’


