জেলা

উত্তরবঙ্গ সফরে ১২ হাজার ৮৪২টি পাট্টা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী

উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত‌‌। চা ‌বাগানের জমিতে পাট্টা প্রদান। ইতিমধ্যেই এই পাট্টা তিনি চালু করেছেন। এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে উত্তরের দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলার বহু চা শ্রমিককে জমির পাট্টা তুলে দেবেন। শুক্রবার বেলা ২টোয় কার্শিয়াঙের মন্টেভিউ ময়দান থেকে এই পাট্টা প্রদান শুরু হবে। চা বাগানের পাট্টা, কৃষি ও উদ্বাস্তু পাট্টা মিলিয়ে মোট ১২,৮৪২ জন প্রান্তিক মানুষকে পাট্টা প্রদান করবেন চারটি অনুষ্ঠানে। পাহাড়ে আজ অনুষ্ঠান হলেও আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠানটি হবে ১০ ডিসেম্বর বেলা ২টোয়। জলপাইগুড়ি বানারহাটের তরুণ সঙ্ঘের মাঠে অনুষ্ঠান হবে ১১ ডিসেম্বর দুপুর ১টায় এবং ১২ ডিসেম্বর দুপুর দেড়টায় অনুষ্ঠানটি হবে শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা ক্রীড়াঙ্গনে। প্রতিটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাতে পাট্টা প্রদান করবেন। উল্লেখ্য, চা বাগান মূলত মালিকানাধীন। সরকারের থেকে জমি দীর্ঘ মেয়াদি লিজে নিয়ে যে কেউ চা বাগান করতে পারেন। ফলে সেই বাগানে যে শ্রমিক কাজ করবেন, তাঁদের দায়িত্ব মালিকের। সেখানে সরকারের কোনও ভূমিকা তেমন থাকে না। চা বাগানের শ্রমিক লাইনে স্থায়ী শ্রমিকরা ঘর করে থাকতে পারেন। রেশনও মালিকদেরই দেবার নিয়ম। বিগত সরকারের আমলে তেমনই ছিল। ফলে মালিক রেশন না দিলে কিংবা অন্য সুবিধা না দিলে শ্রমিকের করার উপায় ছিল না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী সেই সীমাবদ্ধতা ভেঙে দিয়েছেন। এখন চা শ্রমিকরা যেমন সরকারি রেশন পান, তেমনি চা বাগানে বাড়ি তৈরির জন্য জমির স্বত্বও পাবেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী এদিন সেই চা বাগানের পাট্টা দেওয়া শুরু করবেন। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী পাট্টা দেবার কথা চা বাগানে গিয়ে শ্রমিকদের নিজ মুখে বলে এসেছেন। এখন তিনি মকাইবাড়ি চা বাগান বাংলো ‘‌আমা’‌–তেই আছেন। সকাল ১০টা পর্যন্ত তিনি বাংলোর বাইরে আসেননি। যেটা জানা যাচ্ছে ভাইয়ের বিয়ের পাট চুকিয়ে অভিষেক ব্যানার্জি সকাল ১১টা নাগাদ কার্শিয়াং থেকে বাগডোগরার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। সেখান থেকে সোজা কলকাতা। এখনও অবধি যা ঠিক আছে, তাতে দুপুর ১টায় তিনি বাংলো থেকে বেরিয়ে সোজা মন্টেভিউ ময়দানে যাবেন সরকারি অনুষ্ঠানে। তারপর সরকারি সুবিধা প্রদান অনুষ্ঠান শেষ করে ৩টেয় বাগডোগরা হয়ে আলিপুরদুয়ারের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।