দিল্লির বুকে ফের নাটকীয় পরিস্থিতি । এবার কেন্দ্রবিন্দু রাজধানী দিল্লির হ্যাল রোডে অবস্থিত রাজ্যের সরকারি অতিথি নিবাস ‘বঙ্গভবন’। সোমবার দুপুরে আচমকাই খবর আসে, বঙ্গভবন চত্বর ঘিরে ফেলেছে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী । এমনকি বিনা অনুমতিতে ভিতরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে । এই খবর পাওয়ার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তড়িঘড়ি সাউথ অ্যাভিনিউয়ের সাংসদ নিবাস থেকে তিনি রওনা দেন বঙ্গভবনের উদ্দেশে । তাঁর সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও । অভিযোগ, বঙ্গভবনের ঘরে ঘরে তল্লাশিও চালানো হয়। জানতে পেরেই কার্যত ‘এক কাপড়ে’ বাসভবন থেকে বেরিয়ে বঙ্গভবনের সামনে হাজির হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লি পুলিশের আচরণের প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন তিনি। বাসভবন থেকে বেরিয়ে বঙ্গভবনের সামনে হাজির হন মমতা। দিল্লি পুলিশের আচরণের প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন তিনি। গোটা ঘটনার নেপথ্যে অমিত শাহকে কাঠগড়ায় তুলে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন। মমতার রণংদেহী মেজাজে ব্যর্থ ‘শাহী ষড়যন্ত্র’। অবশেষে বঙ্গভবন ছাড়ল দিল্লি পুলিশ। এদিন বঙ্গভবনের সামনে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন তৃণমূলের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। মুখ্যমন্ত্রী এদিন নিজের বাসভবন থেকে বেরিয়ে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “সকাল থেকে বঙ্গভবন কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ দিয়ে ভর্তি করে দিল। ঘরে ঘরে তল্লাশি চালাচ্ছে। এটা দিল্লি পুলিশ করতে পারে না। ওদের এক্তিয়ার নেই। এসআইআরের জন্য মৃতদের পরিবারের লোকজন আমাদের সঙ্গে এসেছেন। তাঁরা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে এখানে এসেছেন। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি এগুলি দেখতে। আপনি বাংলায় এলে রেড কার্পেট পেতে রাখি। আর আমরা দিল্লিতে আসলে কালো কার্পেট?” এরপরই অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি ‘এক কাপড়ে’ বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। কিছুক্ষণের মধ্যে চাণক্যপুরীর বঙ্গভবনে পৌঁছন তিনি। সঙ্গী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান তিনি।


