পৌষ সংক্রান্তি ও মাঘের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত পড়ার পূর্বাভাস। ফলে মকর সংক্রান্তিতে নতুন করে শীত অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা আরও প্রবল। দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ দুর্বল হওয়ার পরে রাজ্য জুড়ে ফের জাঁকিয়ে শীতের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সংক্রান্তিতেও কনকনে ঠান্ডার সম্ভাবনা খুব বেশি। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার থেকে আগামী দু’দিনে দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমতে পারে। তার পরের চার-পাঁচ দিনে তাপমাত্রার তেমন বড় কোনও পরিবর্তন হবে না। অর্থাৎ, রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচেই থাকবে। উত্তরবঙ্গেও আগামী এক সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রায় খুব বেশি হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। হাওয়া অফিস বলছে, কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ফের নামতে পারে ১১ ডিগ্রিতে । পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৭ ডিগ্রিতে নামতে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা । শীতের পাশাপাশি সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দাপটও বজায় থাকবে। পূর্বাভাস বলছে, আগামী দু’দিনে দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমতে পারে। তার পরের চার-পাঁচ দিনে তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তন হবে না। অর্থাৎ, আপাতত পারদ থাকবে স্বাভাবিকের নীচেই। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। তার ফলে দৃশ্যমানতা কমতে পারে ৯৯৯ মিটার থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত। উত্তরবঙ্গে অব্যাহত রয়েছে শীতের দাপট। উত্তরবঙ্গে আগামী সাত দিনে রাতের তাপমাত্রায় খুব একটা হেরফের হচ্ছে না। কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে শীতল দিনের মত পরিস্থিতি থাকবে বলে আরও দু’দিন। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা নীচে থাকার সম্ভাবনা অধিকাংশ জেলায় বলে পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। উত্তরের জেলাগুলিতে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ৫০ মিটারেও। আপাতত সাতদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই কোথাও।
বাংলার কোথায় কত ডিগ্রিতে নেমেছে পারদ?
সোমবার বিকেলে আলিপুর হাওয়া অফিসের পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে বলা যায় এ দিন দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে কল্যাণী (৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস), আসানসোল (৯.২) এবং ঝাড়গ্রামের (৯.৮) সর্বনিম্ন তাপমাত্রাই সিঙ্গল ডিজিটে ছিল। উত্তরবঙ্গের সমতলের মধ্যে সিঙ্গল ডিজিটে ছিল কোচবিহার (৯.১), রায়গঞ্জ (৯.৫) ও জলপাইগুড়ি (৯.৭)।এ ছাড়া পার্বত্য দার্জিলিং (৩.৬) ও কালিম্পংও (৯) সিঙ্গল ডিজিটে ছিল। সোমবার দক্ষিণবঙ্গের রাতের তাপমাত্রার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল, বীরভূমকে সরিয়ে কল্যাণীর শীতলতম স্থানে উঠে আসা। এই মরশুমে দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে শীতলতম স্থানের শিরোপা বার বারই শ্রীনিকেতন পেয়েছে। প্রথমবার ওই শিরোপা কল্যাণীর কাছে গেল।


