আমরা কোর্টেও জিতি, ভোটেও জিতি
বাজেট (WB Budget) অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণের উপর বক্তৃতায় বাদানুবাদে জড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা তাঁর বক্তৃতায় অনুপ্রবেশের কথা তোলায় তাঁকে পালটা আক্রমণ শানিয়ে ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের উপর নিগ্রহের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধী দলনেতার উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, বাইরের রাজ্যে যখন বাঙালিদের নিগ্রহ করা হয়, তখন কেন শুভেন্দুরা নীরব থাকেন? রাজ্যপালের ভাষণের উপর ধন্যবাদজ্ঞাপন বক্তৃতা করতে উঠে মুখ্যমন্ত্রী পালটা জবাব দেন শুভেন্দুকে। তিনি বলেন, “শুধু অনুপ্রবেশকারী কথাটাই বিরোধীদের মাথায় ঢুকেছে। আর কিছু নেই মাথায়। অন্য রাজ্যে কেন বাঙালিদের টার্গেট করা হচ্ছে? মারধর, নিগ্রহ, খুন চলছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ওড়িশা, রাজস্থান, গুজরাট, সর্বত্রই এই অত্যাচার চলছে।” মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, “যখন বাঙালিদের নিগ্রহ করা হয়, তখন কোথায় থাকেন আপনারা? কেন বিরোধিতা করেন না? সরকারি উদ্যোগের পক্ষে একটাও কথা কেন বলেন না?” মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “আগে বাইরে থেকে কেউ এলে রেল, এভিয়েশন (অসামরিক বিমান পরিবহণ কর্তৃপক্ষ), বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই তথ্য শেয়ার করত রাজ্যকে। কিন্তু গত কয়েক বছর কেন করা হয় না? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বারবার বলার পরেও কথা শোনা হচ্ছে না। আর সীমান্তে জমির কথা বলছেন? অনেক প্রকল্পে অনেক জমি দিয়েছি। তার কী কাজ হয়েছে, সেটা বলুন। বিএসএফ-কেও তো আগে জমি দিয়েছি।” রাজ্যপালের ভাষণের ওপর জবাবি বক্তৃতার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও রাজনৈতিক তরজায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভার কক্ষ। বিরোধী দলনেতাকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা কোর্টেও জিতি, আমরা ভোটেও জিতি।”


