কলকাতা জেলা

বাংলায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণ পিছল কমিশন, সুপ্রিম নির্দেশের পরই সিদ্ধান্ত

সময়সীমা বাড়ল এসআইআরের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের। চাপের মুখে পিছু হটল নির্বাচন কমিশন। বাংলায় এসআইআরের শুনানি, নথি স্ক্রুটিনির দিনক্ষণ বাড়ানো হল। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে বাংলায়। সেই কথা বিবৃটি জারি করে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এর আগে ১৪ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন নির্ধারিত হয়েছিল। সেই সময়সীমা বদলে আরও দুই সপ্তাহ বাড়ানো হল। সময়সীমা ফুরলেও এখনও বাকি ঢের কাজ। বহু জায়গায় শুনানির কাজ সম্পূর্ণ হয়নি বলে জানা যায়। সঠিকভাবে কমশন কাজ করছে না। এত দ্রুত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে কমিশন কতটা স্বচ্ছতা রাখবে? সেই প্রশ্ন রয়েছে বিরোধীদের মধ্যে। নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল অন্যান্য রাজ্যের মতো আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাতেও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। শেষপর্যন্ত বাংলার ভোটার তালিকা থেকে কতজনের নাম বাদ যাবে? সেই চর্চা চলছে। নির্বাচনের কমিশনের কাজে ‘অখুশি’ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। কমিশনের এসআইআরের কাজকর্ম, দ্রুততা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। বাংলার ভোটারদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন মমতা। গতকাল, সোমবারও সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই বাংলায় এসআইআরের সময়সীমা বাড়ানোর কথা বলা হয়। স্ক্রুটিনির জন্য ৭ দিন সময়সীমা বাড়ায় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি আদালতের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, ইআরও এবং এইআরও-ই নেবেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। মাইক্রো অবর্জাভারদের সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনও অধিকার নেই। এসআইআর পর্বের শুরু থেকেই কমিশনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে। এক পর্যায়ে তা রীতিমতো সংঘাতের পর্যায়ে পৌঁছে যায়। জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে ছিল সেই সংক্রান্ত শুনানি। সেখানেই রাজ্য, কমিশন ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। জানানো হয়েছে, স্ক্রুটিনির জন্য অতিরিক্ত ৭ দিন সময় দেওয়া হবে। অর্থাৎ হিয়ারিং শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। তারপর ৭ দিন অর্থাৎ ২১ তারিখ পর্যন্ত চলবে স্ক্রুটিনি। তারপর প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত তালিকা।