মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল ‘জয় মা কালী’ নামে একটি ট্রলার। তার খোঁজ মিলল না এখনও। গত ২ জুলাই শঙ্করপুর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে রওনা দেয় ওই ট্রলারটি। ৬ জুলাই ট্রলারটির সঙ্গে শেষবার ওয়্যারলেসে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু তার পর থেকে ট্রলারটির সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন। ট্রলারটির খোঁজে আকাশ ও জলপথে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বুধবার শঙ্করপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, স্থানীয় সাংসদ, বিধায়ক, মৎস্য দপ্তর এবং উপকূল পুলিশের কাছে সহায়তার আবেদন জানানো হয়। এ দিন শঙ্করপুরে এসে ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবীদের সঙ্গে দেখা করেন মৎস্যমন্ত্রী রাজেশ মাহাতো এবং পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা। তাঁরা দ্রুত উদ্ধার কাজের কথা বলেন। বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শঙ্করপুরে আসেন রামনগরের বিধায়ক চন্দ্রশেখর মণ্ডল এবং ডিজি (কোস্টাল সিকিউরিটি) অর্ণব ঘোষ। বিধায়ক বলেন, ‘নৌবাহিনী এবং হেলিকপ্টারের সাহায্যে চারদিকে খোঁজ চালানো হচ্ছে।’ শঙ্করপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশরঞ্জন নায়ক জানিয়েছেন, খারাপ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তল্লাশি অভিযানে দেরি হচ্ছে। তিনি জানান, নিখোঁজ মৎস্যজীবীর মধ্যে নয় জন মন্দারমণি কোস্টাল থানা, রামনগর ও পটাশপুরের বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে তিন জন ওডিশার, দু’জন নদিয়ার এবং একজন হাওড়ার বাসিন্দা। মৎস্যজীদের পরিবারের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

