মঙ্গলবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল জাপান। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.১। ভূমিকম্পের পরই জাপানজুড়ে জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা। কুমামোতো অঞ্চলে রাতারাতি গুঁড়িয়ে গিয়েছে শপিং মল, বসতবাড়ি। এখনও পর্যন্ত সেখানে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যুর কথা জানা গিয়েছে। গুরুতর জখম অন্তত ৬২। জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি ব্যক্তিগতভাবে ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ পর্যবেক্ষণ করছেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “সরকার যত বেশি সম্ভব মানুষকে সরিয়ে নিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।” তিনি তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়ার জন্যও আহ্বান জানান।
কিউশু দ্বীপের কুমামতো অঞ্চল এই ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কাশিমা শহরের একটি বড় শপিং মলের দ্বিতীয় তলা ধসে পড়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষের আটকে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইয়াতসুশিরোর নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানার একটি চিমনিও এই ভূমিকম্পে ভেঙে পড়ে বেশ কয়েকজন চাপা পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সব জায়গাতেই উদ্ধারকারী দল উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইয়াতসুশিরো শহরের একটি হাসপাতালে প্রায় 40 জন আহতকে ভর্তি করা হয়েছে এবং আরও প্রায় 50 জনকে কুমামতো শহরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

