উত্তরাখণ্ডের বিধায়কের ফার্মহাউসে গণধর্ষণের অভিযোগ ৷ উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলায় উত্তরাখণ্ডের এক বিধায়কের খামারবাড়িতে গণধর্ষণের অভিযোগ সামনে এসেছে। ২৩ বছর বয়সি এক তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ হাসানপুর থানায় কর্মরত এক সাব-ইন্সপেক্টর ও একজন কনস্টেবলের পাশাপাশি দু’জন সিআরপিএফ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার গভীর রাতে ঘটনাটি আমরোহায় ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সিআরপিএফ-এর দুই কর্মী ওই মহিলাকে মিরাট থেকে হাসানপুরে নিয়ে আসেন। অভিযুক্ত দু’জন, তাদের অধীনস্থ একজন সাব-ইন্সপেক্টর এবং একজন কনস্টেবলের সঙ্গে মিলে, তাঁকে একটি ধর্মীয় স্থানে নিয়ে যাওয়ার অজুহাতে ওই খামারবাড়িতে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এই খামারবাড়িটি উত্তরাখণ্ডের এক বিধায়কের বলে জানা গিয়েছে। যৌন নির্যাতনের পরই নির্যাতিতা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ প্রাথমিক পর্যায়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। পরবর্তীতে তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়। হাসানপুর থানায় কর্তব্যরত ইন্সপেক্টর সঞ্জয় তোমর এবং ওই থানারই কনস্টেবল প্রমোদ, সিআরপিএফ ইন্সপেক্টর লালরাম এবং হেড কনস্টেবল মোহিতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে ৷ আমরোহা জেলার পুলিশ সুপার অখিলেশ ভদোরিয়া জানান, নির্যাতিতা যাদের নাম উল্লেখ করেছেন, সেই চারজন অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা এখনও তদন্তাধীন । পুলিশ সুপার বলেন, “মিরাট থেকে ওই তরুণীকে আমরোহার হাসানপুরে নিয়ে আসা হয় ৷ ঘটনায় কে কী ভূমিকা পালন করেছে, তা তদন্তাধীন। উত্তর প্রদেশ পুলিশে কর্মরত অভিযুক্তদের অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সিআরপিএফ-এ কর্মরতদের বিভাগগুলিতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও চিঠি লেখা হচ্ছে।” উত্তরাখণ্ডের বিধায়কের খামারবাড়ির তত্ত্বাবধায়ক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি এবং তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরোহার এসপি-কে অনুরোধ করেছেন ৷ খামারবাড়ির তত্ত্বাবধায়ক অভিযোগে জানান, অভিযুক্তরা জোর করে ওই তরুণীকে খামারবাড়িতে নিয়ে আসে। অভিযুক্তরা ফোন করে তাঁকে জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কিছু লোক তদন্তের জন্য আসছেন। তাঁরা মঙ্গলবার রাত আটটায় খামারবাড়িতে পৌঁছন। রাম নিবাস অভিযোগে লিখেছেন, তিনি যখন রাত সাড়ে 10টায় খামারবাড়িতে পৌঁছন, তখন সেখানে একজন সিআরপিএফ আধিকারিক এবং একজন স্থানীয় পুলিশ পরিদর্শক উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে একজন মহিলাও ছিলেন। ওই মহিলার সঙ্গে একজন সিআরপিএফ পরিদর্শক এবং একজন কনস্টেবলও ছিলেন বলে অভিযোগে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।
এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারের খানপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক উমেশ কুমার বলেন, “আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছি। স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কিছু লোককে সঙ্গে নিয়ে আসেন এবং পাহারাদারদের বলেন, তাঁরা একটি অভিযান চালাচ্ছেন। ওই এলাকায় একটি অভিযান চালানোর কথা ছিল। তাঁদের সঙ্গে

