তৃণমূলের বিধানসভার ঘর ভেঙেছে। এবার টার্গেটে লোকসভাও। সাংসদদের ধরে রাখতে তড়িঘড়ি দিল্লি ছুটলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটে হারের পর ইতিমধ্যে বিদ্রোহী হয়েছেন ৫৮ জন বিধায়ক। এই বিদ্রোহী দলের থেকে বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্র মতে, বেশ কয়েকজন তৃণমূল সাংসদ বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। দলত্যাগের ঘোষণা করে তাদের সঙ্গে হাত মেলাতে পারেন বলেও জল্পনা চলছে। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ১৮-১৯ জন বিদ্রোহী সাংসদ নিয়েদল তৈরি হওয়ার জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী ৮ জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের ‘হাই ভোল্টেজ’ বৈঠক রয়েছে। যা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। আর এই আবহে হঠাৎ করে দিল্লি উড়ে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তিনি দিল্লি গিয়েছেন বলে খবর। আগামী ৮ জুন, সোমবার বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক রয়েছে। সেদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাঁর আগেই হঠাৎ কেন অভিষেকের দিল্লি সফর তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এদিকে আগামী ৮ জুন, সই জাল বিতর্কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ভবানী ভবনে তলব করেছে সিআইডি। এর আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ১০ দিন সময় চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তা দেয়নি রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সোমবারই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে হাজিরা দিতে হবে। প্রশ্ন উঠছে, হাজিরা এড়াতেই কি আগেভাগে দিল্লি উড়ে গেলেন তিনি?