জেলা দেশ

বৃষ্টি বাড়তেই জল ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়াল DVC

একাদশীতে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি শুরু। তারই মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে জল ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়াল DVC। পুজোর আগে অতি বৃষ্টি ও ডিভিসির জলাধার থেকে লাগাতার জল ছাড়ার জেরে প্লাবিত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। পুজো শেষ হতেই ফের আরও এক বার প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। কোথাও ভারী আবার কোথাও মাঝারি বৃষ্টি পড়ছে জেলায় জেলায়। ফলে এমন পরিস্থিতিতে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ানোয় বাড়ছে বানভাসি হওয়ার আশঙ্কা। একই অবস্থা ঝাড়খণ্ডেও। সেখানে বৃষ্টির জেরে তেনুঘাট সহ মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে জল ছাড়া হচ্ছে। ফলে দামোদর নদে জলস্তর অনেকটাই বেড়ে গেছে। দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকেও জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এ দিন সকাল আটটা নাগাদ মাইথন থেকে ৪২ হাজার ৫০০ কিউসেক ও পাঞ্চেত থেকে ২৭ হাজার ৫০০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। দুর্গাপুর ব্যারাজে এদিন সকাল সাতটা থেকে ৫৯ হাজার ৭৫ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্গাপুর ব্যারাজে দুটি সেচ খালের একটিতে দেড় হাজার ও আরও একটিতে পাঁচশো কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। রাজ্য সেচ দপ্তরের দুর্গাপুর শাখার (দামোদর হেড ওয়ার্কস) এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় মজুমদার বলেন, ‘ঝাড়খন্ডে বৃষ্টি হচ্ছে। সেখান থেকে জল ছাড়া হচ্ছে। এখানেও বৃষ্টি হচ্ছে। আশপাশের নদী নালাগুলি থেকে জল এসে দামোদরে পড়ছে। ফলে দামোদর নদে জলস্তর বেড়েছে। ফলে দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।’ সকাল দশটায় DVC-এর কাছে পশ্চিমবঙ্গের চিফ ইঞ্জিনিয়ার আবেদন করেছেন যাতে আর জল ছাড়ার পরিমাণ যেন বাড়ানো না হয়। কিন্তু DVC-এর পক্ষ থেকে পাল্টা চিঠি লিখে জানানো হয় যে, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ায় ভবিষ্যতে হয়তো জল ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়ানো হতে পারে।