কলকাতা

অর্ধেকরও বেশি মাঠই ফাঁকা, বিজেপির হ্যাঙার-ব্রিগেড!

কলকাতা, শিলিগুড়িঃ আজ রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোড়া সভা। তিনি এদিন দুপুরে শিলিগুড়িতে জনসভা সেরে বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ ব্রিগেডের জনসভায় ভাষণ দেবেন। রাজ্য বিজেপি এর আগে বার বার ব্রিগেডে সভা করার কথা বললেও তা কোনও না কোনও কারণে বানচাল হয়ে যায়। এটা কি বড্ড বেশি ঝুঁকি হয়ে গেল না?‌ মঙ্গলবার রাজ্য-‌রাজনীতিতে এই প্রশ্নই ঘুরেফিরে এসেছে। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তা মর্মে মর্মে উপলব্ধিও করছেন। তিনি এদিন সাংবাদিকদের কাছে তা স্বীকার করে বলেন, ‘‌ব্রিগেডের মতো বিশাল ময়দানে জনসভা ডেকে আমরা ঝুঁকি নিয়েছি। বলতে পারি, বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। আর এর জন্য আমরা মাত্র ১০ দিন সময় পেয়েছি।’‌ তিনি এও বলেছেন যে, ‘‌অনেক মানুষ ঢাকা ব্রিগেড দেখতে আসবেন। তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী।’‌ ব্রিগেডের প্রায় অর্ধেকরও বেশি মাঠই ফাঁকা। এই ব্রিগেড দুটি কারণে মানুষ মনে রাখবেন। প্রথমত, বাংলায় এই প্রথম বিজেপি ব্রিগেডে সভার আয়োজন করেছে। তা ছাড়া, এই ব্রিগেডে ভিভিআইপি ও জনগণের জন্য জার্মান হ্যাঙার তৈরি করা হয়েছে। মূল মঞ্চ বাদ দিয়ে আমজনতার জন্য ৯টি হ্যাঙার তৈরি করা হয়েছে। ফঁাক দিয়ে দিয়ে সারিগুলি তৈরি করা হয়েছে। ফলে ব্রিগেড ভরাতে যত লোক আসার দরকার, তত লোক না এলেও সেটা ধরা যাবে না। হ্যাঙার ভরলেই হল। থাকবে অজস্র সিসিটিভি ক্যামেরা, যাতে কোনও গোলমাল হলেই তা দ্রুত নজরে আসে এবং ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তা ছাড়া বিজেপি-‌র ২৫০০ স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন। তাদের নিয়ে ইতিমধ্যেই একটি হোয়াট্‌সঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। প্রয়োজনে তঁারা নিজেদের মধ্যে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন। ‌এদিকে শিলিগুড়ি থেকে আমাদের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, দার্জিলিং-এ যে মোর্চার ওপর ভর করে বিজেপি গত ২ বার জিতেছিল, সেই মোর্চা এখন দ্বিধাবিভক্ত। এ-‌রকম পরিস্থিতিতে আজ শিলিগুড়িতে সভা করছেন নরেন্দ্র মোদি। সভায় মোদি পাহাড় নিয়ে কী বার্তা দেন, তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে। শিলিগুড়ির নৌকাঘাট মোড়ের কাছে কাওয়াখালির মাঠে সভা শুরু সকাল ১১টায়। মোদি মঞ্চে উঠবেন বেলা ১টা নাগাদ।