ভোটার তালিকার সংশোধন নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে পুরোদমে চলছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি। এর মাঝে এক্সিট পোল অর্থাৎ, বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোটের মরশুমে নির্দিষ্ট সময়ের আগে কোনও ভাবেই এই ধরনের কোনও সমীক্ষার ফলাফল সম্প্রচার করা যাবে না। এই নির্দেশিকা না মানলে রয়েছে কড়া শাস্তির বিধান।
কবে থেকে কবে নিষেধাজ্ঞা?
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৯ এপ্রিল সকাল ৭টা থেকে ২৯ এপ্রিল সন্ধে ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বুথফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল করা, কিংবা তার ফলাফল প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে কেরালা, অসম এবং পুদুচেরিতে। ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুতে ভোট। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে দুই দফায়, ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। অর্থাৎ গোটা ভোটগ্রহণ পর্বে।
কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এক্সিট পোল পরিচালনা বা সম্প্রচার করা ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৬এ (Section 126A) ধারার সরাসরি লঙ্ঘন। নির্দেশিকা অমান্য করলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডই হতে পারে।
কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচার পর্ব শেষ করতে হয়। এই ৪৮ ঘণ্টাকে বলে ‘সাইলেন্স পিরিয়ড’। মঙ্গলবার সন্ধে ৬টা থেকে কেরালা ও পুদুচেরিতে এবং অসমে বিকেল ৫টা থেকে এই পর্ব শুরু হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে কয়েকজন কর্মী ও প্রার্থীর প্রচার ছাড়া সব ধরনের প্রচার এই সময়ে বন্ধ থাকার কথা। তবে ডিজিটাল যুগে এই নিয়ম কতটা বলবৎ করা যাবে, তা নিয়ে সন্দিহান রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

