জোড়া সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি হল ১৬ জনের ৷ প্রথম ঘটনায় বেপরোয়া ট্রাক ও টাটা ম্যাজিক-এর মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৮ জনের মৃত্যু ও ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন ৷ এক পুলিশকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৮টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে নান্দের জেলায় ভাকার গ্রামের কাছে সিটখণ্ড ঘাটে নান্দের-ভোকার হাইওয়েতে ৷ অন্য একটি ঘটনায়, শুক্রবার ভোর চারটে নাগাদ ভান্ডারা জেলায় এসইউভি ও ট্রাকের সংঘর্ষে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ৷ যার মধ্যে তিন শিশুও রয়েছে ৷ পুলিশ জানিয়েছে, ছত্তিশগড়ের রায়পুর থেকে ৫৩ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে নাগপুর যাওয়ার পথে মানেগাঁও ও পিম্পলগাঁওয়ের মাঝে লাখনিতালুকায় বোলেরো গাড়িটি একটি ট্রাকে ধাক্কা মারলে ঘটনাস্থলেই 8 জনের মৃত্যু হয় ৷ভাকারের ঘটনায় ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ৷ আহতদের চিকিৎসার জন্য ভোকার ও নান্দের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে নান্দের পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। মৃত যাত্রীদের মধ্যে পাঁচজন হলেন পাণ্ডুরঙ্গ ওঘমারে, লক্ষ্মীবাই ওঘমারে, সৈয়দ আলতামাস, শেখ ফিরোজ এবং বলবান পাওয়ার। পুলিশকর্তা আরও জানান, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। বাকি মৃতদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা ৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টাটা ম্যাজিক ভ্যানটি নন্দন থেকে ভোকারের দিকে যাচ্ছিল ৷ সেটিতে প্রায় ১৭ জন যাত্রী ছিলেন ৷ তখনই উল্টো দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা ট্রাকটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ওই পুলিশকর্তা জানান, সংঘর্ষের ফলে ভ্যানটি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায় এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করতে সাহায্য করেন। এরপর তাঁদের জরুরি চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ ৷ স্থানীয়দের একাংশ জানিয়েছেন, হঠাৎ তাঁরা বিকট শব্দ শুনতে পান ৷ বড় কিছু ঘটেছে আশঙ্কা করে কয়েকজন ছুটে যান হাইওয়ের দিকে ৷ দেখেন দু’টি গাড়ির সংঘর্ষের পর পড়ে রয়েছেন যাত্রীরা ৷ তাঁরাই প্রথম উদ্ধারকাজে হাত লাগান ৷ দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি দু’টি উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ ৷

