মুম্বইয়ের আয়কর ভবনে বিধ্বংসী অগ্নিকান্ডে পলাতক রত্নব্যবসায়ী নীরব মোদি, তাঁর কাকা মেহুল চোকসি সহ আরও বেশ কয়েকজন অর্থনৈতিক অপরাধীর ফাইল পুড়ে গিয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ঠিক কী পরিমাণে ক্ষতি হয়েছে, তার মূল্যায়ন করতে এখনও কয়েকদিন লাগবে বলে জানিয়েছে আয়কর দফতর। একটি মহলের সন্দেহ, অপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত যাতে না এগতে পারে, সেজন্য ইচ্ছা করে আয়কর অফিসে আগুন লাগানো হয়েছিল। যদিও আয়কর দফতরের অফিসারদের দাবি, এতে তদন্তে কিছুদিন দেরি হতে পারে। কিন্তু তদন্ত বন্ধ হবে না। আয়কর দফতরের ওই অফিস অবস্থিত ছিল দক্ষিণ মুম্বইয়ে ব্যালার্ড এস্টেটের সিন্ধিয়া হাউসে। শুক্রবার বেলা পাঁচটায় আগুন লাগে। শনিবার ভোরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার ব্রিগেডের অফিসাররা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের তীব্রতা ছিল খুব বেশি। একে বলে লেভেল ফোর ফায়ার। আগুন লাগার সময় অফিসের মধ্যে আটকে পড়েছিলেন সাতজন। দমকলকর্মীরা তাঁদের উদ্ধার করেছেন। আগুন নেভার পরেও ‘কুলিং অপারেশন’ শেষ হয় শনিবার বিকালে। তখন দেখা যায়, আয়কর দফতর ও ডেট রিকভারি ট্রাইব্যুনালের অফিস পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। দমকল অফিস থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে আয়কর দফতরের অফিসে আগুন লাগে। তারপর বিল্ডিং-এর অন্যান্য প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। আয়কর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অফিসে নীরব মোদী, মেহুল চোকসি ও এসার গ্রুপের একাধিক ফাইল ছিল। তাদের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলা চলছে।