banganews.net

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে প্রতিবাদের ঝাঁঝ আরও বাড়ছে। এরই মধ্যে আজ সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দিয়েছে ‘ইন্ডি’ জোট। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানী জুড়ে আঁটসাঁট নিরাপত্তা।  মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশ বাহিনী। সূত্রের খবর, দিল্লি জুড়ে ৩০,০০০-এরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এআইসিসি দপ্তর ও নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের বাইরেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।কংগ্রেসের ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে পার্লামেন্ট স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনের বাইরে বিপুল পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। একই ছবি দেখা যাচ্ছে মান্ডি হাউস চত্বরেও, যা দিল্লির প্রধান সাংস্কৃতিক ও শিল্পকলা কেন্দ্র। এখানে এনএসডি, ত্রিবেণী কলা সঙ্গমের মতো একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গোটা এলাকা কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয় মান্ডি হাউস মেট্রো স্টেশনের এন্ট্রি এবং এক্সিট গেট। সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দিল্লির প্রাণকেন্দ্র ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ৬টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ সম্পূর্ণ সিল করে দেওয়া হয়। এই তালিকার মধ্যে রয়েছে প্যাটেল চক, জনপথ, রাজীব চক, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং বারাকাম্বা রোড। তবে সাধারণ যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট স্টেশনগুলিতে ট্রেন অদলবদল অর্থাৎ ইন্টারচেঞ্জের ব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, ‘রাহুল গান্ধী এর আগে একটি ‘লং মার্চ’ করেছিলেন। তার ফল কী হয়েছিল? দেশে কী পরিবর্তন এসেছিল? তাঁদের বিক্ষোভ করতে দিন, কে আটকাচ্ছে?’ আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজধানীর সীমান্তে, রেল স্টেশনগুলিতে এবং বাস টার্মিনালেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গেস্ট হাউস ও হোটেলগুলিতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সমাজমাধ্যমে কোনো গ্রুপের মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের সংগঠিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও কড়া নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ চলছে।