২ অক্টোবর গোয়াগামী প্রমোদতরী থেকে উদ্ধার হয়েছিল মাদক। তার পর অন্তত ২০ জনকে আটক করে এনসিবি। ওই তালিকায় ছিলেন শাহরুখের ছেলে আরিয়ান খান। পরে আরিয়ান সহ আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবার এনডিপিএস কোর্টই জানিয়ে দিল, তল্লাশি চালিয়ে মাদক বাজেয়াপ্তর প্রক্রিয়া ‘অবৈধ’। নুপূর সাতিজা নামে এক অভিযুক্তকে জামিন দিতে গিয়ে এই কথা বলল আদালত। আরিয়ানদের সঙ্গে সেই রাতে আটক হন নুপূরও। পরের দিন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ ওঠে, তাঁর থেকেও মাদক উদ্ধার হয়েছে। নুপূরকে জামিন দিতে গিয়ে আদালত জানাল, তাঁর থেকে মাদক উদ্ধারের প্রক্রিয়া ‘বেআইনি’। কারণ অভিযুক্তের থেকে কোনও ‘অনুমোদিত মহিলা অফিসার’ মাদক উদ্ধার করেননি।৩০ অক্টোবর জামিন পেয়েছেন নুপূর। তবে তাঁর জামিনের রায় এতদিন পর প্রকাশ করল নার্কোটিকস ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস অ্যাক্ট (এনডিপিএস) কোর্ট। আদালতে এনসিবি–র আইনজীবী অভিযোগ করেছেন, নুপূরের থেকে চারটি ‘একসট্যাসি’র পিল উদ্ধার হয়েছে। বিচারক ভিভি পাটিল জানিয়েছেন, ওই রাতে নুপূরকে তল্লাশি করেছিলেন এনসিবি–র অভিযানের এক মহিলা সাক্ষী। কোনও মহিলা অফিসার নন। আর এই কাজের জন্য ওই সাক্ষীর কাছে কোনও নির্দেশনামা ছিল না। তাই পুরো তল্লাশির প্রক্রিয়া অবৈধ। এনডিপিএস আইনের বিরোধী।

