কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। প্রতিটি প্রজন্মের এই সংস্থাটিকে যত্নের সঙ্গে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিৎ। দেশের প্রতিষ্ঠানগুলি তৈরির হওয়ার কয়েক দশক পরেই প্রাসঙ্গিকতা হারালেও এখনও সিএজি রীতিমত প্রাসঙ্গিত ও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। প্রথম অডিট দিবস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন সিএজি-র অফিসে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের একটি মূর্তি উদ্বোধনও করেন তিনি। এই অনুষ্ঠানেই সিএজি-র কাজের ভূষসী প্রশাংসা করেন তিনি। প্রথম অডিট দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন বিগত সরকারলোর বাস্তবতা, বর্তমান পরিস্থিতি গোটা দেশের সামনে সততার সঙ্গে তুলে ধরছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই সমস্যাগুলি চিহ্নিত করতে পারলেও সমধান করা সম্ভব বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন একটা সময় ছিল যখন অডিটকে সন্দেহের চোখে দেখা হল। অডিট নাম শুনলেই ভয় পেতেন সংশ্লিষ্টরা। ‘সিএজি বনাম সরকার আমাদের সিস্টেমের সাধারণ মানসিকতা হয়ে উঠেছে।’ কিন্তু আগে কর্তারা মনে করতেন সিএজি সবকিছুরই ভুল দেখে, দোষ ধরে। আজ মানসিকতা বদলে গেছে বলেও দাবি করেন প্রধাননন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ অডিটকে একটি মূল্য সংযোজনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই বিবেচনা করা হয় বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধাননন্ত্রীর কথায় সরকারি কাজের মূল্যায়ন করার সয়ম সিএজি-র একটি বহিরাগত দৃষ্টভঙ্গি নিয়ে পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করে। যার একটি সুবিধেও রয়েছে। সিএজি-র নির্দেশে পদ্ধতিগত উন্নয়ন করা সম্ভব বলেও জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন এই দেশে এমন খুব কম প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শক্তিশালী, আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই কয়ের দশকের পর প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলে। কিন্তু সিএজি-র ক্ষেত্রে তা হয়নি। এটি একটি ঐতিহ্যবাসী প্রতিষ্ঠান। প্রতিটি প্রজন্মের এটিকে যন্তের সঙ্গে প্রতিপান করা জরুরি বলেও জানিয়েছেন তিনি।

