জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় বঙ্গে প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল উত্তুরে হাওয়া ৷ আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, সেই ঝঞ্ঝা কাঁটা ধীরে ধীরে সরছে । ফলে ক্রমেই বাড়বে উত্তরে হাওয়ার গতি । আর তার জেরে ধীরে ধীরে ফের কিছুটা কমবে তাপমাত্রা । বৃহস্পতিবার নদিয়ার কল্যাণীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে 12.3 ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা এদিন ছিল দক্ষিণবঙ্গের শীতলতম স্থান । তবে 12 ডিগ্রির ঘরে ফের পারদ নামলেও ঠান্ডার সেই অনুভূতি পাওয়া যায়নি । ঠান্ডা হাওয়া বইলেও দিনের বেলা চড়া রোদের কারণে ঠান্ডার তীব্রতা বোঝা যায়নি । আজ শুক্রবার দিনের আকাশ পরিষ্কার হলেও ভোরে কুয়াশার দাপট থাকবে । সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে 26 এবং 15 ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে । আজ শুক্রবার থেকে শুরু হবে হাওয়া ঘোরার খেলা । আগামী দু’দিন পারদ দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমে যাবে । ফলে ফের একবার শীতের অনুভূতি পাবে রাজ্যের মানুষ । পশ্চিমের জেলা যেমন-বাঁকুড়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমানে তাপমাত্রা ধীরে-ধীরে নামবে 10 থেকে 11 ডিগ্রি সেলসিয়াসে । তবে এই শীতের আমেজ মিলবে মূলত সন্ধে থেকে রাত পর্যন্ত । বেলা বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে বেড়ে যাবে তাপমাত্রাও । আগামী চার থেকে পাঁচদিন এমনই আবহাওয়া থাকবে বলে হাওয়া অফিস সূত্রে খবর । গোটা রাজ্যে কোথাও বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস আপাতত নেই । রাজ্যজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে । গত 24 ঘণ্টায় কোনও জেলাতেই বৃষ্টি হয়নি । তবে ভোর থেকে সকালের প্রথম দিকে রাজ্যে হালকা কুয়াশা থাকবে বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর । দক্ষিণ ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েকদিন ভোরে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে বলে জানা যাচ্ছে ৷ অন্যদিকে, ভোর ও সকালের প্রথম দিকে উত্তরবঙ্গের দু-একটা জায়গায় ঘন কুয়াশা দেখা গিয়েছে । আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গে এমনই ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে বলেই পূর্বাভাস রয়েছে ৷ উত্তরের জেলাগুলিতেও এক ধাক্কায় তাপমাত্রার পারদ খানিকটা কমতে পারে । দুই থেকে তিন ডিগ্রি পারদ নামার পূর্বাভাস রয়েছে । বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের সমতলের শীতলতম স্থান ছিল কোচবিহারে ৷ এদিন সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল 10.6 ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছিল 4 ডিগ্রি সেলসিয়াস ।


