banganews.net

 বুধবার বিকেলে রাজধানীর টিকরি কালান এলাকায় একটি CNG স্টেশনে গ্যাস ভরার সময়ে একটি ট্রাকের সিলিন্ডারে ঘটে বিস্ফোরণ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে আরও তিন জন। তাঁদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল এবং পুলিশ। কী কারণে এই বিস্ফোরণ হলো, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সেখানে একটি গাড়িতে CNG ভরার সময়ে আচমকাই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকেল ৩টা ৩৭ মিনিটে বিস্ফোরণের খবর আসে। খবর পেয়েই দ্রুত দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেন।

গ্যাস ভরার সময়েই ভয়াবহ বিস্ফোরণ

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, গ্যাস ভরার কাজে যুক্ত এক ব্যক্তি বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে হাসপাতালে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত এক ব্যক্তির নাম মণীশ। তিনি পশ্চিম দিল্লির বাবা হরিদাস কলোনির ঘটনা। এই একই ঘটনায় কমপক্ষে আরও ছয় জন আহত হন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা কতটা ছিল, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিস্ফোরণের পরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের মানুষজনও ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। প্রাথমিক ভাবে দমকলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, CNG সিলিন্ডার থেকেই বিস্ফোরণ হয়ে থাকতে পারে। তবে কেন এমন ঘটনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়। সিলিন্ডারে কোনও ত্রুটি ছিল কি না, অতিরিক্ত চাপের কারণে বিস্ফোরণ হয়েছিল কি না অথবা গ্যাস ভরার সময়ে কোনও ধরনের নিরাপত্তাজনিত সমস্যা হয়েছিল কি না—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরীক্ষা করছেন পুলিশ ও অ্য তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সেখানে নিরাপত্তাবিধি যথাযথ ভাবে মানা হয়েছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হতে পারে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে ফরেন্সিক পরীক্ষা এবং প্রযুক্তিগত তদন্তের প্রয়োজন হতে পারে। এদিকে দুর্ঘটনার পর ওই CNG স্টেশনে পরিষেবা সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। নিরাপত্তার কারণে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।