‘ইন্ডি ব্লক’-এর দলগুলি ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে চলেছে ৷ জানা গিয়েছে, কংগ্রেসের উদ্যোগে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নতুন করে অপসারণের প্রস্তাব আনতে সম্মত হয়েছে ইন্ডি জোটের সবকটি দল। সূত্রের খবর, ইমপিচমেন্ট নোটিশ আগামী সপ্তাহে লোকসভায় জমা দেওয়া হতে পারে। এর আগে গত 24 এপ্রিল রাজ্যসভায় 73 জন সাংসদের সমর্থনে একই নোটিশ দাখিল করা হয়েছিল ৷ যাঁদের মধ্যে সাতজন পরে শিবির পরিবর্তন করেন। এবার ফের নতুন করে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে নোটিশ জমা করছেন ইন্ডি জোটের সাংসদরা ৷ বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার দেশদ্রোহী এবং বিশ্বাসঘাতক ৷ তাঁরা ভারতের ভোট নষ্ট করেছে ৷ এরপরই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অবিলম্বে পদত্যাগেরও দাবি করেছেন রাহুল।

লোকসভার বিরোধী দলনেতা জোর দিয়ে জানান, মোদি এবং শাহ দেশের জন্য কী করেছেন, তার তদন্ত হবে। একই সঙ্গে, জ্ঞানেশ কুমারের তীব্র নিন্দা করে তিনি বলেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনার যা করেছেন, তা জাতির বিরুদ্ধাচারণ।” রাহুল আরও বলেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ বেছে নিয়েছিলেন। এখন, দুই নির্বাচন কমিশনার তাঁকেই যাবতীয় বিশৃঙ্খলার জন্য দায়ী করছেন।” তাঁর মতে, ভোট রক্ষার দায়িত্ব কমিশনের। 2024 সালের লোকসভা নির্বাচন এবং পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন রাহুল ৷ তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন চুরির ষড়যন্ত্রের জন্য মোদি, শাহের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে। আমরা গণতন্ত্রকে ধ্বংস হতে দেখে চুপ থাকব না।” অন্যদিকে, যৌথ বিবৃতি জারি করে পাঁচটি বাম দল দাবি করছে, “জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। SIR প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ভোটার তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে বাদ পড়া সকলের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। ইসিআই-এর স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং ভারতের প্রধান বিচারপতির প্রস্তাবিত নির্বাচন কমিটির উপর ভিত্তি করে এবং প্রক্রিয়া মেনে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের ব্যবস্থা ফের ফিরিয়ে আনতে হবে।”