সাধারণতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তার পিছনে ষড়যন্ত্রই দেখছেন কৃষক নেতারা। বুধবার সেকথা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন তাঁরা। সেই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ারও আবেদন করলেন। এদিন দিল্লি সীমান্তে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বার্তা দেন কৃষক নেতারা। বলেন, কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে যে আন্দোলন চলছে, তা দীর্ঘকালীন। তাই হিংসা পথে পা বাড়ালে চলবে। তবে তাঁদের দৃঢ় বিশ্বাস, প্রকৃত আন্দোলনকারীরা এসব করেননি। ১ ফেব্রুয়ারি সংসদ ভবন পর্যন্ত মিছিলের পরিকল্পনা রয়েছে কৃষকদের। ২৬ তারিখ ব্যারিকেড ভেঙে দিল্লির রাস্তায় ঢুকে পড়েন কৃষকরা। নির্ধারিত সময়ের আগেই। অনুমতি ছাড়াই রিংরোডে মিছিল করেন তাঁরা। লালকেল্লার মাথায় এক দল শিকদের ধর্মীয় পতাকা নিশান সাহিব তুলে ধরেন। ঘটনায় আহত ৩০০ পুলিশ কর্মী। মোট ২২টি মামলা দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। ২০০ জনকে আটক করেছে। মামলায় ছ’ জন কৃষক নেতার নাম রয়েছে। ষড়যন্ত্রের মামলাও দায়ের হয়েছে। একটি এফআইআর–এ ডাকাতির চার্জও আনা হয়েছে। স্বরাজ অভিযান নেতা যোগেন্দ্র যাদব সহ ৪০ জন নেতার নামে অভিযোগ আনা হয়েছে। কৃষক নেতাদের একটা বড় অংশ লালকেল্লা–কাণ্ডে বিজেপি–যোগ দেখছেন। তাঁদের অভিযোগ, একদা বিজেপি ঘনিষ্ঠ দীপ সিধুর উস্কানিতে এসব হয়েছে।

