পড়ুয়াদের উপর পুলিশি অত্যাচার নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানি তিনি খারিজ করেছেন ৷ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এই খবর ‘যথেচ্ছাচার’ বলে শুক্রবার দাবি করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ৷ পাশাপাশি দেশের শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়েছে, সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সেদিকটিও সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৷ গত 20 জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) নেতৃত্বে সংসদ চলো অভিযানে পড়ুয়াদের উপর বেপরোয়া লাঠি চার্জ করে পুলিশ ৷ এই অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জরুরি ভিত্তিতে মামলা দায়ের করার আবেদন জানান এক মামলাকারী ৷ কিন্তু দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জরুরি ভিত্তিতে মামলা শোনার আবেদন খারিজ করে দেন ৷ মামলাকারী তখন পুলিশের লাঠিচার্জের ভিডিয়ো প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চকে দেখানোর আবেদন জানান ৷ তিনি বলেন, “আমার কাছে পুলিশি অত্যাচারের ভিডিয়ো আছে ৷ আগামিকাল (বৃহস্পতিবার) মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে… পড়ুয়ারা এখনও যন্তর মন্তরে আন্দোলন করছে ৷” তখন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতির জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাকারীকে সরাসরি জানিয়ে দেন, “আমাদের সময় নষ্ট করবেন না ৷” এই খবর যথেচ্ছাচার বলে দাবি করেছেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ৷ উল্টে তিনি দাবি করেন, এমন কোন মামলাই দায়ের হয়নি ৷ তাঁর কথায়, “এমন কোনও মামলাই দায়ের হয়নি ৷ গত দু’দিন ধরে সম্পূর্ণ মিথ্যা খবর ছড়িয়ে পড়েছে ৷ সংবাদমাধ্যমের কোনও দায়িত্ব নেই ৷ মিথ্যা খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, প্রধান বিচারপতি মামলাটি তালিকাভুক্ত করতে চাননি ৷”
তিনি আরও বলেন, “সকাল 10টা থেকে একটি পাতাও দায়ের করা হয়নি ৷ মিশ্র বা কেউ একজন এটা বলেছিলেন মাত্র ৷ শুধু এই বলাকে আমি কীভাবে রিট পিটিশন হিসাবে বিবেচনা করব ? আর মানুষ এনিয়ে যা খুশি তাই প্রচার করে চলেছে ৷”

