ভিয়েতনামের ফু কোক দ্বীপের কাছে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় মৃত 15 ভারতীয় পর্যটকের দেহ মুম্বই আনার পর মঙ্গলবার সকালে এক এক করে পাঠানো হয়েছে বাড়িতে ৷ সোমবার রাতে মৃতদেহগুলি নিয়ে হো চি মিন সিটি থেকে ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট (VN 979) রাত 9টা 19 মিনিটে মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখান থেকে দেহগুলি তামিলনাড়ু, কেরল এবং অন্ধ্রপ্রদেশে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃতদের মধ্যে দশজন তামিলনাড়ুর, তিনজন অন্ধ্রপ্রদেশের এবং দুজন কেরলের বাসিন্দা ছিলেন । মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক সংস্থা লাভা ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়াতে মৃতদের পরিবারকে 25 লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে ৷ মৃতরা হলেন তামিলনাড়ুর সেন্থিল কুমার জয়ভেল, মুরুগা প্রভু আরুমুগাম, শ্রীধর সুন্দররাজন, শেখ আবদুল্লাহ আব্দুল মজিদ, বালাজি নাতেসান, বিনয় কুমার চিথিরাপুরম ভাস্কারা, রবিশঙ্কর সুগুমারান, সন্তোষ কুমার শান্তিলাল জৈন, বাবু কুপ্পুস্বামী এবং আলাগুরাজন শিবাসামি এবং অন্ধ্রপ্রদেশের নল্লাপেতা আদিশেষাইয়া রবিতেজা, শ্রীধর মুদিয়াম এবং জয়া লক্ষ্মী গেল্লি। কেরলের মৃতদের নাম এভিকোট চেরিয়ান থমাস এবং তাঁর স্ত্রী লোভেনি থমাস। মৃতরা লাভা মোবাইলের এক কর্মী ও 14 জন সহযোগী ছিলেন ৷ সংস্থার পক্ষ থেকে আয়োজিত একটি কর্পোরেট ইনসেন্টিভ ট্রিপে গিয়েছিলেন তাঁরা। তামিলনাড়ুর 10 জনের মরদেহ চেন্নাই ও কোয়েম্বাটোর বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুটি মৃতদেহ এদিন সকাল 8টা বেজে 10 মিনিটে চেন্নাই পৌঁছয় ৷ অপর দুটি দেহ নিয়ে দ্বিতীয় ফ্লাইটটি সকাল 9টা 50 মিনিটে মুম্বই থেকে রওনা হয়। বাকি 6টি মরদেহ তিনটি আলাদা বিমানে পাঠানো হয়েছে ৷ কেরলের দম্পতির মৃতদেহ সকালে তিরুবনন্তপুরম বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় এবং সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে কোট্টারাক্কারায় তাঁদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৷ অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের একটি দল আগেই মুম্বই বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল ৷ মঙ্গলবার ভোর 5 টা 45 মিনিটে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে তিনটি মৃতদেহ হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ সকাল 7ট10 মিনিট নাগাদ হায়দরাবাদ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মৃতদেহগুলি অন্ধ্রপ্রদেশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে নিজ নিজ গ্রামে পাঠানো হয় ৷