banganews.net

কলকাতা ডার্বির মঞ্চে আবারও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। তিন বছর পর ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে মোহনবাগান (Mohun Bagan) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। বৃহস্পতিবার নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে খেতাবি লড়াইয়ে জায়গা করে নিল সবুজ-মেরুন। রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত ফাইনাল। অর্থাৎ ডুরান্ডের ট্রফির জন্য ফের একবার মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এদিন নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের নিষ্পত্তি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। সেখানেই মোহনবাগানের হয়ে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলকে বাঁচানো কাইথ এদিনও চাপের মুহূর্তে অসাধারণ দৃঢ়তা দেখান। দু’টি শট আটকে দিয়ে নর্থইস্টের বিরুদ্ধে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধেও টাইব্রেকারে একটি শট রুখে দলকে জেতাতে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন কাইথ। নর্থইস্টের ঘরের মাঠে বিপুল সমর্থনের চাপ সামলে তাঁর এই পারফরম্যান্স ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে দিল। এই জয়ের সঙ্গে দু’বছর আগের যন্ত্রণারও জবাব দিল মোহনবাগান। ২০২৪ সালে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কাছে হেরে ডুরান্ড কাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল সবুজ-মেরুনকে। সেই হারের স্মৃতি এবার শিলংয়েই মুছে দিল তারা। ফলে শুধু ফাইনালে ওঠাই নয়, নর্থইস্টের বিরুদ্ধে পুরনো হিসাব মেটানোর তৃপ্তিও পেল মোহনবাগান। ডুরান্ডের ইতিহাসে কলকাতার দুই প্রধানের লড়াই বরাবরই আলাদা উত্তেজনা তৈরি করে। তিন বছর আগে ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোলেই সেবার ট্রফি ঘরে তুলেছিল মোহনবাগান। এবার পরিস্থিতি অন্যরকম। অতীতের সেই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে ট্রফি জয়ের সুযোগ ইস্টবেঙ্গলের সামনে। অন্যদিকে, ডুরান্ডে নিজেদের আধিপত্য আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চাইবে মোহনবাগান।

রেকর্ড ১৮তম ডুরান্ড কাপ জেতার হাতছানি মোহনবাগানের সামনে। ডুরান্ড কাপের সর্বোচ্চ সংখ্যক শিরোপা সবুজ-মেরুন ব্রিগেডেরই। ১৭ বার ট্রফি জিতেছে মোহনবাগান। একবার কম, ১৬ বার ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল।