প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ১০ জুন ভারতের ইতিহাসে নতুন নজির গড়তে চলেছেন। ওই দিন তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর টানা প্রধানমন্ত্রিত্বের রেকর্ড অতিক্রম করে দেশের দীর্ঘতম সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হবেন। তবে এই দুই নেতার মধ্যে পার্থক্য শুধু তাঁদের শাসনকালের দৈর্ঘ্যে নয়, বরং জাতি গঠনে নাগরিকদের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গিতেও স্পষ্ট। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে নেহরুর শাসনব্যবস্থা মূলত প্রতিষ্ঠান, আমলাতন্ত্র এবং রাষ্ট্রনির্ভর পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। নবস্বাধীন দেশের উন্নয়নের দায়িত্ব মূলত রাষ্ট্রের কাঁধেই ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গত ১২ বছরের শাসনকালে বারবার উঠে এসেছে ‘জন ভাগীদারি’ বা জনগণের অংশগ্রহণের ধারণা। স্বচ্ছ ভারত অভিযান, ডিজিটাল পেমেন্ট, জল সংরক্ষণ, টিকাকরণ কর্মসূচি-সহ একাধিক প্রকল্পকে জনআন্দোলনের রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে কেন্দ্র সরকার। এর কেন্দ্রে ছিল ‘সবকা প্রয়াস’- অর্থাৎ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ভাবনা।