banganews.net

দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ মহালয়ার দিনই ইডেনে সরকারি অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যে দুর্গোৎসবের সূচনা করবেন মোদি ৷ আর তা নিয়ে শুক্রবার একপ্রস্থ প্রস্তুতি বৈঠক সেরেছে সিএবি এবং রাজ্য প্রশাসনের কর্তারা। সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানান, এই বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব, কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। সিএবি-র তরফে কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসও বৈঠকে ছিলেন।ইডেন গার্ডেন্স থেকেই পাঁচটি বড় বাজেটের পুজোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ৷ থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। দেড় ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানের শুরু হবে সন্ধ্যা সাতটা। চলবে আটটা পর্যন্ত। ইডেন গার্ডেন্সে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী। ইডেনে ঢোকার আগে রেড রোডে হবে রোড শো। জানা গিয়েছে, রোড শো শেষে ইডেনে ঢোকার সময় উলুধ্বনি, শঙ্খধ্বনি দিয়ে বরণ করা হবে প্রধানমন্ত্রীকে। থাকবে ঢাকের ব্যবস্থাও। বিকেল পাঁচটায় ছয় হাজার শিল্পীর অংশগ্রণের মধ্যে দিয়ে ইডেনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হবে। ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুম থেকে মাঠে প্রবেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী। অ্যাওয়ে টিমের ড্রেসিংরুম থেকে প্রবেশ করবেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর গলফ-কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন মোদি ৷ প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী ইডেন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর হবে ড্রোন শো ও আতসবাজির প্রদর্শনী। তবে তাঁদের উপস্থিতিতে লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। ইডেনে ওইদিন 2,500 ভিভিআইপি-সহ 35 হাজার দর্শক থাকবেন বলে মনে করা হচেছে ৷ ৭০০ সাংবাদিকের বসার ব্যবস্থাও থাকবে। সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের আয়োজন আগে কখনও করিনি আমরা। তাই অভিজ্ঞতা নেই। যেভাবে প্রশাসন চাইবে আমরা সেরকমই ব্যবস্থা করে দেব। প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী ইডেনে আসছেন।”সূত্রের খবর, আমেদাবাদ টি-20 ফাইনালে যে ধরনের চোখধাঁধানো ড্রোন শো হয়েছিল, সেইরকম লেজার শো হবে ইডেনে। সম্ভবত তিন দিন আগে থেকে প্রধানমন্ত্রীর সিকিউরিটি-র হাতে ইডেন চলে যাবে। এদিন থেকেই আয়োজনের সলতে পাকানোর কাজ শুরু হলেও আপাতত ঢোকা বেরোনো তে কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না বলেই জানানো হয়েছে। সিএবি-র দৈনন্দিন কাজের কোনও অসুবিধা হবে না বলেও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে ৷ তবে, অনুষ্ঠানের দিন সিএবি-র মূল ভবন ক্লাব হাউজের দু’টো তলা এবং প্রেস বক্সে কারও প্রবেশাধিকার থাকবে না। মহালয়ার দিন একটি সঙ্গীতানুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন সুরকার শান্তনু মৈত্র। তবে শ্রেয়া ঘোষাল থাকবেন না বলেই খবর। সুরকার প্রীতমও থাকবেন না। দু’জনেই এই মুহূর্তে দেশের বাইরে রয়েছে ৷ শান, অন্তরা মিত্র, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, দেবর্ষি ভট্টাচার্য, কৌশিকী চক্রবর্তী দেশিকান, দোহার ব্যান্ড সঙ্গীত পরিবেশন করবেন বলে জানা গিয়েছে ৷ থাকবেন বাংলার লোকসঙ্গীতের শিল্পীরাও।