কলকাতা রাজনীতি

প্রশান্ত কিশোরের বাড়িতে তল্লাশি নয় কেন? ২০২০ সালের মামলার ভিত্তিতে তদন্তে আইপ্যাকে ইডি হানা নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূলের

কয়লা পাচার মামলায় অভিযান হলে, সেই সময় আইপ্যাকের দায়িত্বে থাকা প্রশান্ত কিশোরের বাড়িতে তল্লাশি নয় কেন? বৃহস্পতিবার আচমকা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি অভিযানের পরই প্রশ্ন তৃণমূলের। অমিত শাহ ইডিকে ব্যবহার করে দলের ডেটা চুরির চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ তুলে শুক্রবারও সরব তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ‘চুক্তিবদ্ধ’ ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন ও সংস্থাটির সল্টলেকের অফিসে ইডির হানায় (ED Raid at I-PAC Office) তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। বিজেপি ইডিকে ব্যবহার করে ভোটের রণকৌশল, প্রার্থী তালিকা চুরি করছে বলে অভিযোগ তুলে সরব রাজ্যের শাসকদল। পালটা ইডির দাবি, কয়লা পাচার মামলায় এই অভিযান। ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর কয়লা পাচার মামলার তদন্তে নামে ইডি। অনুপ মাঝি ওরফে লালার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। সেই মামলাতেই আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীকের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে দাবি করেছে ইডি। তবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, তৃণমূলের তথ্য চুরির জন্য অমিত শাহ ইডিকে কাজে লাগিয়েছে। তৃণমূলের মুখপাত্ররা প্রশ্ন তোলেন, “কয়লা পাচার কাণ্ডের দুর্নীতির মামলায় এই অভিযান হলে প্রশান্ত কিশোরের বাড়িতে অভিযান নয় কেন? ২০২০ সালে আইপ্যাকের প্রধান কর্ণধার ও ভোটকুশলী ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো উচিত।”