হক জাফর ইমাম, মালদা: স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি হওয়ার ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল কর্তৃপক্ষ। সোমবার বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নোটিশ ঝোলানো স্কুলের দরজায়। নোটিশ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা লাটে তুলে বিদ্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত কি ঠিক তা নিয়ে ? এই বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কেউই প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাননি উল্লেখ্য,গত ১৫ জুলাই সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ফাঁকা ক্লাসরুমে মোবাইলে অশ্লীল ছবি দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দেয় বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক। এরপরে উত্তেজনা ছড়ায় স্কুল চত্বরে। বারবার আন্দোলন করে ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিবাবকরা। গত শনিবার শিক্ষকের গ্রেপ্তারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় স্কুল পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকরা। পুলিশের সঙ্গে অভিভাবকদের

বৈঠক করা হয়। অভিযোগ পুলিশ ২৪ ঘন্টার সময় চাইলেও তারপরও গ্রেফতার করা হয়নি শিক্ষককে । সোমবার বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনা করতে স্কুলে পৌঁছায়। সেখানে প্রবেশদ্বারে ঢুকতেই তাদের নজরে পড়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের নোটিশ। তাতে লেখা রয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে স্কুল। এর পরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। তারা বলে, আর কদিন বাদেই তাদের পরীক্ষা এবং সেই কারণে তারা স্কুলে পড়াশোনা করতে এসেছে। কিন্তু হঠাৎ করে তাদের নজরে পড়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ টাঙ্গানো অনির্দিষ্টকালের ছুটির নোটিশ। যদিও কোন ভাবেই স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। হয়তো তারা এই প্রশ্ন থেকে এড়িয়ে যেতে চাইছেন! এলাকাবাসীরা এই ঘটনার নিন্দা করেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষর ভূমিকা নিয়েও। গত ১৫ তারিখ এ ঘটনা ঘটলেও কেন এতদিন সমষ্যার সুরাহা করা হয়নি। পুলিশের হস্তক্ষেপে কেন কাটেনি জটিলতা। এমনই নানান ধরনের প্রশ্ন তুলেছে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা। তবে স্কুল শিক্ষককে আড়াল করতে লাটে তোলা হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা। প্রশ্ন তুলছে এলাকার লোকেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *