হক জাফর ইমাম, মালদাঃ আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের একাংশ ফুলহার নদীগর্ভে তলিয়ে গেল।তার ফলে আর্সেনিকপ্রবণ রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের পাঁচটি অঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার বাসিন্দারা আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ফুলহার নদীর জল স্থিতিশীল থাকলেও নদীর ভাঙন অব্যাহত। রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের কাহালার আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জলের প্ল্যান্টের পরিস্থিতি ও ভাঙন এবং বন্যা বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য, সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডল-সহ ৭ জনের একটি সরকারি প্রতিনিধি দল। ফুলহার নদীর জল নতুন করে যাতে এলাকা প্লাবিত করতে না পারে, সেজন্য বালির বস্তা দিয়ে রিং বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা করেছে জেলা সেচ দফতর। অন্যদিকে গঙ্গা ও মহানন্দা নদীর জল বিপদসীমা না পেরলেও তার অশনি সংকেত দিতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে। তবে আজ সকাল থেকে আকাশ মেঘলা হলেও এখনও বৃষ্টি হয়নি। প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে কার্যত ভাসমান গোটা উত্তরবঙ্গ। বিভিন্ন নদীর জলস্তর বৃদ্ধির ফলে বহু এলাকা জলবন্দি। ত্রাণ শিবিরেই দিন কাটাতে হচ্ছে মানুষকে। বিভিন্ন জায়গায় সেতু ভেঙে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ব্যাহত হয়েছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *