বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে সিএএ, এনপিআর ও এনআরসি-র প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বিশাল জনসভা করলেন। এদিন বনগাঁর সভা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি তোমার কত শক্তি , আমি দেখতে চাই। ভোটের জন্য অনেকে মিথ্যা কথা বলে। অনেকে গন্ডগোল পাকান, আমি সেই দলে নেই। মতুয়া ও অনুকুল ভক্তরা আসলে বুকে স্থান দেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি জগাই মাধাইদের মত নই।আমি ভোট চাইতে আসিনি। আমরা ভোটের সময় চৌকিদার বলি না।মানুষের বিপদে থাকি। আবারও মমতা বলেন, ‘বাংলায় এনআরসি করতে দিতে দিচ্ছি না, দেব না।’ মমতার অভিযোগ, এনআরসির প্রথম ধাপ এনপিআর এ ঢুকিয়ে দিয়েছে। তাই আমি এনপিআর করতে দিচ্ছি না। তিনি উল্লেখ করেন যে তিনি উদ্বাস্তদের নি:শর্তে জমির দলিল দিয়েছেন। বড় মা-র সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথাও বলেন এদিন। এর আগে বনগাঁতে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এসে মোদীর সরকারেরে সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, জয় শ্রীরাম বলে বাংলা দখল করতে চেয়েছিল বিজেপি। এই সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধেই লড়াই তৃণমূল কংগ্রেসের। কারণ ধর্ম নিয়ে তৃণমূল রাজনীতি করে না। সেদিনের সভা থেকে মোদীকে আক্রমণ করে তিনি বলেছিলেন, ক্ষমতায় আসার আগে বাংলায় কোটি কোটি টাকা তহবিলে দেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে তা হয়নি। অন্যদিকে সিপিএমের ঋণের প্রায়শ্চিত্ত করে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি আরও বলেছিলেন, মতুয়া সম্প্রদায়ের জন্য মমতার সরকার যা করেছে, মোদীর সরকার কিছুই করেনি। ঠাকুরনগরের নামে বিশেষ রেল ব্যবস্থাও একসময় করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু মোদী কী করেছেন। কোনও বিশেষ সম্মানও প্রদর্শন করার কথা বলেননি। এমনকি মতুয়া উচ্চারণও ঠিক মতো করেননি, বলেছেন মাতুয়া। হরিচাঁদ ঠাকুরকে বলেছেন হরিশ্চন্দ্র ঠাকুর।

