
নাগরিকত্ব সংশোধিত আইনের বিরোধিতায় শুরু হওয়া বিক্ষোভের আঁচ ক্রমেই দাবানলে পরিণত হয়েছে। অধিকাংশ জায়গায় চলছে ১৪৪ ধারা। অসম থেকে কোঝিকোড়ে, দিল্লি, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশে, গুজরাত, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, চেন্নাই, কেরালা, কর্ণাটক, সর্বত্র বিশাল আকারের প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে। বাদ যায়নি পশ্চিমবঙ্গও। রাজ্যে নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি কার্যকর হবে না প্রথম ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য রাজ্যগুলোও পশ্চিমবঙ্গের পথেই হেঁটেছে ৷ পশ্চিমবঙ্গ, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, পঞ্জাব, দিল্লি ও কেরলের মুখ্যমন্ত্রীরা নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি

কার্যকর হবে না বলে ঘোষণা করেছেন ৷ ওড়িশায় বিজেডি সরকার নাগরিকত্ব আইন মানলেও এনআরসি কার্যকরে নারাজ ৷ একই অবস্থান অন্ধ্রপ্রদেশের ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ৷ বিহারে এনআরসি হবে না বলে জানিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও ৷ মহারাষ্ট্রেও নতুন আইন নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে ৷ বিহারে এনডিএ-র শরিকদল জেডিইউয়ের থেকেই ধাক্কা। এখন ১১টি রাজ্য এনআরসি বিরোধিতায় অনড়। ৭টি রাজ্য এনআরসির পাশাপাশি নাগরিকত্ব আইন কার্যকরে নারাজ। নাগরিকত্ব সংশোধিত আইন বিরোধীতা করে ৫৯টি আবেদন এখন শীর্ষ আদালত। ২২ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত। তারই মধ্যে রাজ্যগুলোর অবস্থানে অস্বস্তি বাড়ছে কেন্দ্রের।

