টানা বৃষ্টিতে উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় এক পুরনো দোতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ল। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক শিশুর ও এক বৃদ্ধার। মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন ফিরহাদ হাকিম। জোড়াবাগান থানার পুলিশ, দমকল, DMG উদ্ধারকারী দল জোরকদমে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। আহিরীটোলা স্ট্রিটে ভেঙে পড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে শিশু ও বৃদ্ধা সহ ৯ জনকে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ৩ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুজিত বসু, শশী পাঁজা। ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনারও। এ প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘আহিরীটোলার ভেঙে পড়া বাড়িটিকে আগেই বিপজ্জনক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। কলকাতা পুরসভা তরফে নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। সেই নোটিস ছিঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়। পুরসভার কর্মীরা বারবার বাসিন্দাদের বলেছেন। কিন্তু তাঁরা উঠতে চাননি। ওই বাড়িটির বসবাসকারীরা কলকাতা পুরসভার নোটিস পাওয়ার পরই উঠে গেলে এমন বিপত্তি ঘটত না।’ ফিরহাদ হাকিম আরও বলেন, ‘সারা কলকাতায় ১০০ টা এরকম বিপজ্জনক বাড়ি আছে। বিপজ্জনক বাড়িগুলি যেকোনও সময়ে ভেঙে পড়তে পারে। মালিক এবং ভাড়াটের গন্ডগোলের জেরে মালিক বাড়ি মেরামতের আগ্রহ ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু জোর করে উচ্ছেদ করার আইন নেই। আবার কাউন্সিলর উচ্ছেদ করতে গেলে বলে প্রোমোটারের সঙ্গে যোগসাজশ করে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’


