বারবার দুর্ঘটনার মুখে চিংড়িহাটা। ফলে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। বুধবারের প্রশাসনিক বৈঠকে উত্তর ২৪ পরগনার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই আলোচনার সময়ই কলকাতা পুলিশ এবং বিধাননগর পুলিসকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন তিনি। যদিও কলকাতা এবং বিধাননগর পুলিস রোড সেপ্টির ব্যাপারে বরাবরই সচেতন। তবুও মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, ‘চিংড়িহাটায় রোজ দুর্ঘটনা হয় কেন? কলকাতা পুলিশ বলে ওটা আমার নয়। বিধাননগর পুলিশ বলে ওইটুকুটা আমার। তোমাদের জন্য সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হবেন কেন? আমি ডিজিকে বলেছি, সিপিকেও বলেছি। ওখানে পরপর বেশ কয়েকটা দুর্ঘটনা হয়েছে, যা হওয়ার নয়।’ এরপরই কড়া নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আর একটা দুর্ঘটনা যেন না হয়। মানুষের জীবন অনেক দামি।’ মুখ্যমন্ত্রীর ধমকের পরই কলকাতা এবং বিধাননগর পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে গিয়েছিলেন বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার এবং কলকাতা পুলিশের জুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) সন্তোষ পাণ্ডে। দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করল পুলিস। এরপরই একগুচ্ছ পদক্ষেপ সিদ্ধান্ত নিল দুই কমিশনারেট।
১) কলকাতা এবং বিধাননগর, দুই কমিশনারেটের পুলিসই ওই অঞ্চলে সমন্বয় রেখে কাজ করবে।
২) ওই এলাকায় দুই তরফ থেকেই বেশি করে বাহিনী মোতায়েন করা হবে। থাকবেন পুলিসের শীর্ষ আধিকারিকরা।
৩) এলাকায় বাড়ানো হবে সিসিটিভি।
৪) দুই কমিশনারেটের তরফেই নজরদারি বাড়ানো হবে।
৫) ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে দুই কমিশনারেটের মধ্য়ে এক্তিয়ার ভাগ করা হয়েছে।

