দেউচা-পাচামিতে খোলামুখ কয়লা খনি প্রকল্পের জন্য জমি কেনার ক্ষেত্রে শ্বেতপত্র প্রকাশ করল রাজ্য সরকার ৷ সেই শ্বেতপত্র নিয়ে এদিন জমি মালিকদের সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠক করে বীরভূম জেলা প্রশাসন ৷ বাংলা, ইংরেজি ও সাঁওতালি ভাষায় এই শ্বেতপত্র জমি মালিকদের দেওয়া হল ৷ বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, ‘‘সরকারি জমিতেই প্রথম শুরু হবে খোলামুখ কয়লা খনি ৷ তারপর খুব দ্রুত পুনর্বাসন দিয়ে প্রয়োজনীয় জমি কিনবে সরকার ৷’’ শুক্রবার দেউচা-পাচামিতে খোলামুখ কয়লা খনির জমি অধিগ্রহণ প্রসঙ্গে সিউড়ির রবীন্দ্র সদনে জমি মালিক সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠক হয় ৷ বৈঠক করেন বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায়, জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠী, জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী প্রমুখ । যেখানে খনি হবে, সেই এলাকা মূলত আদিবাসী অধ্যুষিত । তাই আদিবাসী সংগঠনগুলি এই বৈঠকে অংশ নেয়৷ খোলামুখ কয়লা খনি প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন ৷ সেই পুনর্বাসন এদিন শ্বেতপত্র আকারে প্রকাশ করল রাজ্য সরকার ৷ সেই শ্বেতপত্র বাংলা, ইংরেজি ও সাঁওতালি ভাষায় জমিদাতাদের দেয় বীরভূম জেলা প্রশাসন ৷ পরে সাংবাদিক বৈঠক করেন জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার । বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, ‘‘অধিগ্রহণ নয়, সরকারি নিয়মে জমি কেনা হবে ৷ আজ শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হল তিনটি ভাষায় ৷ সেই পত্র সকল সংগঠনগুলিকে দেওয়া হয়েছে । জমি মালিকদের বুঝিয়ে আলোচনা করে তবেই জমি নেওয়া হবে ৷ যে পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে, সেটা খুবই ভাল ।” বৈঠক শেষে আদিবাসী নেতৃত্ব স্পষ্ট করে দেন, তাঁরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন জমি দেওয়া হবে কি না ৷