৯ বছর পর মুক্তি পাচ্ছে ‘ধূমকেতু’। প্রচারে দেব-শুভশ্রীকে দেখবার জন্য ভক্তদের উচ্ছ্বাস ও উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। কাউকে নিরাশ করেননি দেব-শুভশ্রী। প্রায় ১০ বছর পর একসঙ্গে একমঞ্চে হাজির হলেন তারকা জুটি। সোমবার নজরুল মঞ্চে লঞ্চ হল ‘ধূমকেতু’-র ট্রেলার। ‘ধুমকেতু’ ছবির ট্রেলার দেখে রীতিমতো মুগ্ধ দর্শকরা। ট্রেলার লঞ্চের মঞ্চে  ঘুচে গেল সব দূরত্ব। ধরা দিল ঠিক আগের মতই ‘দেশু’ কেমিস্ট্রি। এই অনুষ্ঠানে দুজনেই রংমিলান্তি করে কালো পোশাক পরেছিলেন। দুই তারকাকে একসঙ্গে চোখের সামনে দেখে উচ্ছ্বসিত হন ভক্তরাও। ‘ধূমকেতু’ ছবিটি শুধুই একটি ছবি নয়। এই ছবি যেন বাংলা ছবির এক আবেগ। বিশেষ করে দেব ও শুভশ্রীর অনুরাগীদের কাছে। কারণ এই জুটির একসঙ্গে এটিই শেষ অভিনীত ছবি। টলিউডের এই জুটির বিচ্ছেদের ঘটনায় মন ভেঙেছিল তাঁদের অনুরাগীদের। এই ছবি যেন তাঁদের ক্ষততে প্রলেপ দেবে। সব আশঙ্কাকে দূরে সরিয়ে রেখে দেব-শুভশ্রী এক মঞ্চে হাজির হলেন এবং এতদিনের যাবতীয় অভাব অভিযোগের উত্তর দিলেন।

এতদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অপরকে আনফলো ও ব্লক করে রেখেছিলেন দেব-শুভশ্রী। এদিনের মঞ্চে কেটে গেল বাধা, একে অপরকে আবার ফলো করলেন। দু’জনে একসঙ্গে সেলফিও তুললেন।

দেব শুভশ্রীকে ভবিষ্যতে আবারও একসঙ্গে দেখা যাবে কিনা এই প্রশ্ন ছিল সকলের। পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় থেকে টলিউডের অনেকেই এই প্রশ্নবান ছুঁড়ে দিলেন। একে অপরের প্রোডাকশনে কাজ করবেন কিনা সেই প্রশ্নও ছিল। তবে দেব শুভশ্রী কাউকেই নিরাশ করলেন না। বললেন মনের মতো চরিত্র এবং স্ক্রিপ্ট নিয়ে যদি কোনও পরিচালক আসেন অবশ্যই এই জুটিকে আবারও ভবিষ্যতে দেখা যেতে পারে। এমনকি দু’জনই এখনই প্রযোজক তাই একে অপরকে নিজেদের প্রোডাকশনে কাস্ট করতেও কোনও অসুবিধা নেই। আগামী ১৪ এপ্রিল বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে ‘ধূমকেতু’, তাই দর্শকদের আর কিছুদিন অপেক্ষা করতেই হবে।

‘ধূমকেতু’কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ভক্তদের ধন্যবাদ জানান সুপারস্টার। সেই চেনা সংলাপ বলে উঠলেন দেবের উদ্দেশ্যে শুভশ্রী। বললেন, “আমার সাথে ফ্রেন্ডশিপ করবে?” দেব বলেন “কেন?” শুভশ্রী বললেন, “এমনি।” সঞ্চালক রোহন তখন বলে ওঠেন, “আচ্ছা এমনিটা তাহলে এখান থেকে এসেছে।” দেব বললেন, “এমনিটা এমনি এমনি আসেনি।” কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, রানা সরকার সহ সকলকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে ধন্যবাদ জানান শুভশ্রী। আগামী ১৪ আগস্ট সকলকে সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখার জন্য অনুরোধ জানান শুভশ্রী। একইসঙ্গে শুভশ্রী অনুরাগীদের বলেন, ‘আমদের এফর্টে আমাদের জুটি বাঁচেনি। বেঁচেছে তোমরা চেয়েছ বলে।’