এমন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতকে ছাড় দিল আমেরিকা। তারা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে। এই কারণে মাসখানেক ধরে সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানো রাশিয়ার তৈলবাহী জাহাজগুলিও স্বস্তি পাবে। তারাও ক্রেতা খুঁজে পাচ্ছিল না। ইরান যুদ্ধ থামার লক্ষণ নেই। এমন পরিস্থিতিতে সারা পৃথিবীতেই তেল নিয়ে ত্রাহি ত্রাহি রব। এমনকী বড় বিপদে রয়েছে ভারতও। নরেন্দ্র মোদী সরকারও মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে অন্য কোনও জায়গা থেকে তেল কিনতে চাইছে। আর এমন পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে এসে দাঁড়াতে চেয়েছে ‘বন্ধু রাশিয়া’। কিন্তু রাশিয়া থেকে তেল কিনলে যে আবার আমেরিকার ট্যারিফে ভয়ও বাড়ছিল। তাই কিছুটা সংশয়ে ছিল সরকার। যদিও এমন পরিস্থিতিতে ভারতকে ভাল খবর দিল মার্কিন দেশ। তারা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে। এই কারণে মাসখানেক ধরে সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানো রাশিয়ার তৈলবাহী জাহাজগুলিও স্বস্তি পাবে। তারাও ক্রেতা খুঁজে পাচ্ছিল না। যতদূর খবর, ইতিমধ্যেই আমেরিকার তরফে রাশিয়াকে ভারতকে তেল বেচার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে বিশ্ব বাজারে তেলের সংকটে মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এই ছাড় সাময়িক। মাত্র ৩০ দিনের জন্য ছাড় দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে আমেরিকার দুই আধিকারিক জানিয়েছেন, রাশিয়ার জ্বালানি কেনার উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল ঠিকই। তবে ৩০ দিনের জন্য ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এক্স (X)-এ পোস্ট করে বেসেন্ট জানান, ট্রাম্পের জ্বালানি নীতির ফলেই আমেরিকার তেল ও গ্যাস উৎপাদন ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে তেলের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ট্রেজারি বিভাগ ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের একটি অস্থায়ী ছাড় দিচ্ছে।