প্রথম দফার ভোটের পর উজ্জীবিত বিজেপি শিবির ৷ আর তারই ঝলক দেখা গেল শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গলায় ৷ এদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে শাহ সাফ জানিয়ে দিলেন, দুই দফা মিলিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই বাংলার ক্ষমতায় আসছে বিজেপি ৷ শুধু তাই নয়, প্রথম দফার 152 আসনের ভবিষ্যৎবাণীও এদিন করে দিলেন অমিত শাহ ৷ তাঁর দাবি, 110টির বেশি আসন পাবে পদ্ম শিবির ৷ প্রথম দফার ভোটের হার দেখে সব মহলেই জল্পনা শুরু হয় ৷ 92 শতাংশ ভোট কী তবে প্রতিষ্ঠানবিরোধীর হাওয়া ? সে ক্ষেত্রে কতগুলি আসনই বা যেতে পারে বিজেপি, তৃণমূল বা অন্যান্যদের খাতে ? এই প্রশ্নে শাসক-বিরোধী সকলেই নিজেদের মতো করে আসনের ব্যাখ্য়া দিয়েছে ৷ বিজেপি দাবি করেছিল 125টি আসন পাবে তারা ৷ পাল্টা তৃণমূলের দাবি ছিল 120 থেকে 135টি আসন প্রথাম দফার ভোট থেকে তাদের ঝুলিতে আসতে পারে ৷ আর এদিন অমিত শাহ বলেন, “আমি গতকাল মধ্যরাত পর্যন্ত নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি ৷ আর তাতে আমি নিশ্চিত, প্রথম দফায় 152-এর মধ্যে আমরা 110-এর বেশি পাব ৷ দ্বিতীয় দফাতে আরও বেশি আসন আমরা পাব ৷ দুই দফা মিলিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আমরা বাংলায় সরকার গঠন করতে চলেছি ৷” এদিন সকালে সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই অমিত শাহ সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আমজনতাকে ধন্যবাদ জানান । পাশাপাশি পুলিশ, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকারও প্রশংসা করেন শাহ । বিশেষ করে এদিন বারবার কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অমিত শাহ । তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে 90 শতাংশের বেশি ভোটদানের হারের কথাও । সেই সূত্র ধরে আত্মবিশ্বাসী শাহ বলেন, “ভোটে ঝামেলা, গন্ডগোল, হামলার খবর কম এসেছে ৷ আগেও আমরাদের সঙ্গে জনসমর্থন ছিল কিন্তু তারা ভোট দিতে পারবে কি না, তা আশঙ্কার ছিল ৷ কিন্তু তা প্রথম দফার ভোটের পর আমাদের আর কোনও চিন্তা নেই ৷ 92 শতাংশ ভোট দান প্রমাণ করেছে রাজ্যে পরিবর্তন আসছে ৷ তৃণমূল, মমতার শাসন শেষ হতে চলেছে ৷ 5 তারিখের পর অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠা হবে ৷” একই সঙ্গে, শাহ আরও বলেন, “বাংলা মিডিয়ামে পড়া, বাংলা বলা মানুষই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হবেন ৷ প্রথম দফায় মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে ৷ পিছিয়ে থাকা পূর্ব ভারতে বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠার পরই উন্নয়ন সম্ভব ৷”

