কর্ণাটকে উদ্ধার ৩৫টি ময়ূরের দেহ। এক সপ্তাহের মধ্যে এতগুলি ময়ূরের মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য। এই ময়ূরগুলির দেহ উদ্ধার হয়েছে কর্নাটকের টুকামুরু জেলা থেকে। এক সঙ্গে এত ময়ূরের মৃত্যু কেন হয়েছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে বন দপ্তর। প্রচণ্ড গরম এবং পানীয় জলের অভাবের কারণেই এতগুলি ময়ূরের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা বন বিভাগের আধিকারিকদের। বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, টুমাকুরুর গ্রামাঞ্চলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩৫টি ময়ূর মারা গিয়েছে। এর মধ্যে উর্দিগেরে হোবলির বোম্মনাহাল্লি ও কোলিহাল্লি গ্রাম এবং গুলুর হোবলির বাইরাসান্দ্রা ও হুল্লেনাহাল্লি গ্রামের খামারগুলিতে ১১টি জাতীয় পাখিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। ৫০০ মিটার থেকে ১ কিলোমিটার দূরত্বে পাওয়া যায় ওই মৃতদেহগুলি। তীব্র দাবদহের কারণেই এতগুলি ময়ূরের মৃত্যু হতে পারে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ওই এলাকা পরিদর্শন করেছে বন দপ্তরের আধিকারিকরা । তাঁদের সন্দেহ, প্রচণ্ড তাপ ও ​​জলশূন্যতা এই মৃত্যুর কারণ হতে পারে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করার জন্য নমুনা বেঙ্গালুরুতে পাঠানো হয়েছে। বিষক্রিয়া কারণে এতগুলি পাখির মৃত্যু হয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিকটবর্তী পাথরের খনি থেকে বর্জ্য জল যে সব জলাশয়ে ফেলা হয়, সেগুলির নমুনাও পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষক্রিয়ার কারণে ওই ময়ূরগুলির মৃত্যু নাও হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। তবে অন্যান্য সম্ভাব্য কারণ জানার জন্য একটি বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছেন কর্তৃপক্ষ।