রাজ্যের একাধিক জেলায় তীব্র গরমের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্কুলগুলির সময়সূচি পরিবর্তনের নির্দেশ দিল স্কুল শিক্ষা দফতর । সোমবার শিক্ষা দফতরের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনে আগামী দু’সপ্তাহ স্কুলগুলিতে সকালের শিফটে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে । সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সাধারণত তাপপ্রবাহ বা অতিরিক্ত গরমের পরিস্থিতি তৈরি হলে স্কুলের ক্লাস সকালবেলার শিফটে স্থানান্তর করা হয় । বর্তমানে কয়েকটি জেলায় গরমের প্রকোপের কথা বিবেচনা করে এই নির্দেশ শিক্ষা দফতরের ।তবে এই নির্দেশিকা আগামী দু’সপ্তাহের জন্য কার্যকর বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতর ৷ নির্দেশিকায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে । একই সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে যাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার কোনও ক্ষতি না-হয় । স্কুলগুলিকে সময়মতো নতুন সময়সূচির বিষয়ে জানিয়ে দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ যাতে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং পড়ুয়ারা নিজেদের দৈনন্দিন কর্মসূচি সেই অনুযায়ী সাজিয়ে নিতে পারেন । এই নির্দেশিকা রাজ্যের সমস্ত জেলার জন্য প্রযোজ্য হলেও পার্বত্য অঞ্চলগুলিকে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে । উত্তরবঙ্গে প্রাক বর্ষার তুমুল বৃষ্টি শুরু হলেও দক্ষিণের বর্ষা ভাগ্য এবার বিলম্ব ৷ কয়েকদিনের বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে গরমে হালকা রাশ পড়লেও ফের পারদ ঊর্ধ্বমুখী ৷ এখনই বর্ষা আসার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস ৷ সেই কথা মাথায় রেখেই সকালে পঠনপাঠনের ভাবনায় রাজ্য সরকারের এই নির্দেশিকা বলে মনে করা হচ্ছে ৷ প্রায় ২০দিনের গরমের ছুটির রেশ কাটিয়ে ১ জুন সোমবার থেকে স্কুল খুলেছে । প্রথম দিনেই সরকারের নির্দেশ মেনে স্কুলগুলোয় প্রার্থনার সময় বন্দেমাতরম গাওয়া হয়েছে । এমনকি মাদ্রাসাতেও সেই নিয়ম জারি হয়েছে । তবে নতুন গান হওয়ায় স্কুলগুলো বেশ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করেছিল । বেশিরভাগ স্কুল অডিও সিস্টেমে গানটি চালিয়ে রেখেছিল । কেউ বা গরমের ছুটিতে গানটা ছাত্রছাত্রীদের আগে থেকে পাঠিয়ে রেখেছিল । সেই পদ্ধতি নিয়েই সপ্তাহের প্রথমদিন প্রার্থনা সঙ্গীত গাওয়া হয়েছে ।