banganews.net

দেশজুড়ে বিক্ষোভ। দিল্লিতে এখনও চলছে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ৷ শনিবার বিকেলে কেন্দ্রের সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠকের আগে এ কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন নিট আন্দোলনকারীরা। ঘটনাচক্রে, তারই মাঝে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান ৷ এদিন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানোর কথা জানিয়ে একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন ৷ তাতে লেখা, “গত ১০ দিনের ঘটনাক্রমে আমার মন ভারাক্রান্ত। দেশের যুবশক্তিই আসল শক্তি। সমস্ত দিক বিবেচনা করেই আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।” ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর পৌঁছনো মাত্রই যন্তর মন্তরে উল্লাসে ফেটে পড়ে ছাত্র-যুবরা। এরপরই ককরোচ জনতা পার্টির (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, “আমরা সফল হয়েছি। করে দেখিয়েছি।” ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। উই হ্যাভ ডান ইট ৷ ধর্মেন্দ্র প্রধান শেষমেশ ইস্তফা দিলেন ৷ তারা বলত এই সরকারে কেউ পদত্যাগ করে না। কিন্তু আমরা তা করে দেখিয়েছি। আরেকটি কথা, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা তো হল ৷ এটা এরই প্রমাণ যে, যদি আপনি ভয় না-পান এবং এই সরকারের সামনে মাথা নত না-করেন, তবে আপনি যে কারোর কাছ থেকেই পদত্যাগপত্র আদায় করতে পারেন। গণতন্ত্রে ভয় পাবেন না।” কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগপত্রে উল্লেখ, “আমার তরুণ বন্ধুরা, আমি গত ৪ দশকেরও বেশি সময় ধরে ছাত্র, শিক্ষক ও শিক্ষা সংস্কাকরর জন্য উৎসর্গীকৃত রয়েছি। আমার সর্বদা এই বিশ্বাস রয়েছে যে এটি শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দূরদর্শী শিক্ষা ব্যবস্থাই শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভিত্তিপ্রস্তর হয় ৷ আমি এই আকাঙ্খা, ভাবনা এবং তাদের ন্যায়সংগত প্রত্যাশাকে গভীর সম্মান জানায়। ভারতের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন পূরণ করাই আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের নৈতিক সংকল্প। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে জাতির সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার সংকল্প এই যে, আমরা দেশের যুবশক্তিকে বিভ্রান্তির জালে আটকা পড়তে দেব না ৷” তাঁর আরও উল্লেখ, “যন্তর মন্তর ও সারাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতির সুযোগ যেন দেশবিরোধী শক্তিগুলো না-নিতে পারে, দেশের ঐক্য যেন অটুট থাকে, ভারতের একজন ছাত্রেরও ভবিষ্যৎ যেন আইনি জটিলতায় জড়িয়ে না পড়ে, এবং আমাদের সন্তানেরা যেন তাদের সময় পড়াশোনায় উৎসর্গ করে ও নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার দিকে মনোযোগ দেয় ৷ এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।”