প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তৃতায় একটি শব্দ বন্ধ নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে । স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্ত্রধারী মাওবাদীদের পাশাপাশি ‘দিমাগি নকশাল’ বা মননে নকশালদের থেকেও সতর্ক থাকতে হবে। তাদের চিহ্নিত করে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। সশস্ত্র নকশালদের পাশাপাশি এমন কিছু মানুষ রয়েছেন, যাঁরা নকশালপন্থী চিন্তাভাবনা পোষণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহৃত এই শব্দবন্ধ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একদল সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের নিন্দা করেন। আর এই আবহেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এবার তৈরি হল ‘Dimagi Naxal Party’ । এটি একটি নতুন সোশ্যাল মিডিয়া পেজ। পেজটির ফলোয়ারের সংখ্যাও বাড়ছে। জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। অনেকের প্রশ্ন এটি কি তবে কোনও নতুন রাজনৈতিক দল, নাকি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তৈরি একটি সোশ্যাল মিডিয়া আন্দোলন ?
‘দিমাগি নকশাল’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তৃতায় একটি শব্দ বন্ধ নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে । স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্ত্রধারী মাওবাদীদের পাশাপাশি ‘দিমাগি নকশাল’ বা মননে নকশালদের থেকেও সতর্ক থাকতে হবে। তাদের চিহ্নিত করে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। সশস্ত্র নকশালদের পাশাপাশি এমন কিছু মানুষ রয়েছেন, যাঁরা নকশালপন্থী চিন্তাভাবনা পোষণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহৃত এই শব্দবন্ধ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একদল সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের নিন্দা করেন। আর এই আবহেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এবার তৈরি হল ‘Dimagi Naxal Party’ । এটি একটি নতুন সোশ্যাল মিডিয়া পেজ। পেজটির ফলোয়ারের সংখ্যাও বাড়ছে। জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। অনেকের প্রশ্ন এটি কি তবে কোনও নতুন রাজনৈতিক দল, নাকি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তৈরি একটি সোশ্যাল মিডিয়া আন্দোলন ?
প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে লালকেল্লা থেকে বলেন, জঙ্গলে সশস্ত্র নকশালদের বিরুদ্ধে সাফল্য মিললেও ‘দিমাগি নকশাল’-দের চিহ্নিত করার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর এই মন্তব্যের পর বিরোধী রাজনৈতিক শিবির আসরে নামে। একাধিক বিরোধী নেতা সমালোচনায় সরব হন। ‘দিমাগি নকশাল’ শব্দবন্ধটি চর্চায় উঠে আসে। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন পেজটির আত্মপ্রকাশ । আপাতত মনে করা হচ্ছে এটি কোনও রাজনৈতিক দল নয়। একটি অনলাইন রাজনৈতিক উদ্যোগ। তবে এর ভবিষ্যৎ ভূমিকা কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ইতিমধ্যেই এই নাম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এক্স অ্যাকাউন্টের পোস্ট অনুযায়ী, তারা ভগত সিংয়ের আদর্শ অনুপ্রাণিত। তাঁদের বক্তব্য অনুসারে, “আমরা ভগত সিং-এর অনুসারী… যদি ওরা আমাদের অ্যাকাউন্ট ব্লক করার বা আমাদের দেশদ্রোহী তকমা দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে জেনে রাখবেন — তারা ভগত সিং-কেই অসম্মান করছে।” তবে কি এই ‘Dimagi Naxal Party’ ভবিষ্যতে ককরোচ জনতা পার্টির মতোই হয়ে উঠবে ? তবে NDTV সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই এই পেজটি ইনস্টাগ্রাম থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন একাধিক বিরোধী নেতা। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন , তিনি ‘দিমাগি নকশাল’ তকমা পেয়ে ‘গর্বিত’। সত্য ও অধিকারের পক্ষে কথা বলায় যদি নকশাল বলা হয়, তবে তিনি হাজার বার তা হতে রাজি আছেন। অন্যদিকে জয়রাম রমেশের মন্তব্য ‘শহুরে নকশাল’-এর মতো এই নতুন শব্দটিরও কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তৃণমূলের সাকেত গোখলেবলেন, স্বাধীনতা দিবসের মতো পবিত্র দিনে বিরোধীদের এমন কটূক্তি করা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও অপ্রাসঙ্গিক। এখন দেখার, ‘Dimagi Naxal Party’ কি শুধুই সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল ট্রেন্ড, নাকি আগামী দিনে এটি আরও বড় কোনও রাজনৈতিক বা সামাজিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়?
উল্লেখ্য, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র উত্থান হয়েছিল দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মাত্র মন্তব্য থেকে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ভারতের যুব সম্প্রদায়কে আরশোলার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এরপরই ‘ককরচো জনতা পার্টি’ নামে একটি ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল তৈরি করা হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই এই পার্টির পেজটি লক্ষ লক্ষ ফলোয়ার তৈরি করে। ১০ দিনের মধ্যেই CJP-র ফলায়োর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি হয়ে যায়। একই ভাবে এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে কেউ ‘দিমাগি নকশাল পার্টি’ নামে একটি পেজ তৈরি করেছে। এর ফলোয়ার সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে।

