বিধানসভা থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তৃণমূল আমলের একাধিক ঘটনার সূত্র ধরে যে যে পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের অনেককেই সাসপেন্ড ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারই সঙ্গে তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তদন্ত ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড মুখ্যমন্ত্রীর, তার বিরুদ্ধে FIR-এর নির্দেশ। অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস পঙ্কজ দত্তকে হেনস্থার ঘটনায় IO সাধন দাসকে সাসপেন্ড। সাসপেন্ড। সংশ্লিষ্ট থানার আইসি ছিলেন সুবর্ণ দত্ত চৌধুরীকে (এখন কলকাতা পুলিশের এসবি) সাসপেন্ড করলেন মুখ্যমন্ত্রী।কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনের দিন ভক্তদের উপর লাঠিচার্জ করা ও কটূক্তির জন্য ইন্সপেক্টর অমলেন্দু বিশ্বাসকে সাসপেন্ড।দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন পুলিশ জেলায় কাকদ্বীপে দেবী কালীর মূর্তি ভাঙার ঘটনা ঘটেছিল। তার প্রতিবাদ করছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেই সময়ে তৎকালীন সুন্দরবন জেলা পুলিশ সুপার আইপিএস কোটেশ্বর রাও-এর নেতৃত্বে জনতাকে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরে দেবী মূর্তিকে প্রিজ়ন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ওই ঘটনায় IPS কোটেশ্বর রাও-কে সাসপেন্ড করলেন মুখ্যমন্ত্রী। যে যে ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে পুলিশ অফিসারদের সাসপেন্ড করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, সেই সবকটি ঘটনাই তৃণমূল আমলের। সেই আমলে এই ঘটনাগুলি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। বিজেপি ও বাকি বিরোধীদের তরফেও প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।