ইউনিফর্ম পরে রিল তৈরি করে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেই কড়া শাস্তি পেতে হবে পুলিশ কর্মীদের ৷ পোস্ট করা যাবে না সেলফিও ৷ ভারী গয়না পরতে পারবেন না মহিলা পুলিশ কর্মীরা ৷ সচতন থাকতে হবে প্রসাধান ব্যবহারে ৷ ডিউটির সময় কপালের রাখা যাবে না চন্দনের টিকা ৷ বিহারের পুলিশ কর্মীদের জন্য এমনই একাধিক নির্দেশিকা জারি হল ৷ এখনও পর্যন্ত প্রায় 50 জন পুলিশ আধিকারিককে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় রিল পোস্ট করার জন্য় সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেও জানালেন বিহার পুলিশের ডিজি বিনয় কুমার ৷ তাঁর তরফে জারি হওয়া নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই রাজ্য পুলিশের আধিকারিক থেকে শুরু করে বাকিদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ৷ কপালে চন্দনের বা অন্য তিলক থাকা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মীর ধর্মের পরিচায়ক হয়ে উঠতে পারে ৷ কিন্তু পুলিশ আধিকারিকদের কাজ কোনও একটি ধর্মের জন্য নয় ৷ আর তাই সম্প্রীতির বার্তা দিতেই কপালে তিলকের ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ মহিলা পুলিশ কর্মীদের জন্যও বেশ কয়েকটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে ৷ ভারী গয়না পরতে পারবেন না তাঁরা ৷ পাশাপাশি ডিউটির সময় প্রসাধনের পরিমিত ব্যবহার করার কথাও বলা হয়েছে ৷ গয়না সংক্রান্ত নিয়ম পুলিশ কর্মীদেরও মেনে চলতে হবে ৷ পুলিশের শীর্ষকর্তারা দেখেছেন, অনেক পুলিশ কর্মী ইউনিফর্ম পরলেও টুপি পরতে চান না ৷ এই ব্যবস্থা পরিবর্তনের স্পষ্ট নির্দেশ আছে নির্দেশিকায় ৷ যাঁরা টুপি না পরে রাস্তায় ডিউটি করছিলেন তাঁদের অনেককে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে ৷ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, টুপিটি ইউনিফর্মেরই একটি অংশ ৷ আর সেটি পরা বাধ্যতামূলক ডিজিপি বলেন, “সোশাল মিডিয়ার ব্যবহাপর নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করে দেওয়া হয়েছে ৷ পুলিশের কর্মী থেকে শুরু করে আধিকারিকদের স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ইউনিফর্ম পরে কোনও ছবি থেকে শুরু করে ভিডিয়ো পোস্ট করা যাবে না ৷ কোনও পণ্যের প্রচারও করা যাবে না ৷ কেউ এই ধরনের আচরণ করলে ধরে নেওয়া হবে তিনিন পুলিশের শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন এবং তার জন্য যে শাস্তির বিধান আছে তা কার্যকর হবে ৷” বিহার পুলিশের প্রতিটি বিভাগ এবং ইউনিটের কাছে খবর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ৷ নিয়মের পালন ঠিকমতো হচ্ছে কিনা সেটার দিকেও নজর রাখছেন পুলিশ কর্তারা ৷”

