রাজ্য সভাপতি-সহ তৃণমূলের সব পদ ছেড়েই বিধানসভায় চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। সেখানে নব তৃণমূল অর্থাৎ বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে এই বৈঠক হয়। বৈঠকে বিদ্রোহী শিবিরের একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। এবিষয়ে চন্দ্রিমাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “কালের যাত্রায় সবাইকেই পা মেলাতে হয়।” যদিও তিনি তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেননি। শনিবার দুপুরে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) চিঠি লিখে তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন চন্দ্রিমা। জানান নিজের অভিযানের কথাও।
রাজ্য সভাপতি-সহ তৃণমূলের সব পদ ছেড়েই বিধানসভায় চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। সেখানে নব তৃণমূল অর্থাৎ বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে এই বৈঠক হয়। বৈঠকে বিদ্রোহী শিবিরের একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। এবিষয়ে চন্দ্রিমাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “কালের যাত্রায় সবাইকেই পা মেলাতে হয়।” যদিও তিনি তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেননি। শনিবার দুপুরে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) চিঠি লিখে তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন চন্দ্রিমা। জানান নিজের অভিযানের কথাও।
শনিবার ফেসবুক লাইভে আসেন মমতা। সেখানে তৃণমূলে ভাঙন, পার্টি অফিস দখল ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। একইসঙ্গে চন্দ্রিমার ইস্তফার পর দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন বলেও জানান। যারা গিয়েছে আমি তাদের দোষ দিই না। তাদের পরিবার আছে, সম্পদ আছে, লাগেজ আছে। কিন্তু মনে রাখবেন, পরিবার আমারও আছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মা-মাটি-মানুষের পরিবারই আমার পরিবার।

