দুই পরিবারের বিবাদ বদলে গেল সংঘর্ষে। প্রাণ হারালেন এক ব্যক্তি। দু’পক্ষের হাতাহাতি গুরুতর জখম কমপক্ষে ১০ জন। বাদ গেল না বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেল পুলিস। গ্রেফতার ১১ জন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া গড়ালবাড়ি পঞ্চায়েতে শুভচনী গ্রামে।আহতদের সকলেই প্রথমে ভর্তি করা হয় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মহম্মদ মফিজউদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। কিন্তু বাঁচানো যায়নি তাঁকে। এদিন মফিজুদ্দিনে মৃত্যু সংবাদ পৌঁছতেই ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। রীতিমতো ভাঙচুর চালানো হয় ৯টি বাড়িতে। ৫টি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিশাল পুলিস বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৃতের পরিবারের অভিযোগ গড়ালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের বিরুদ্ধে। উপপ্রধান দাবি এই ঘটনা দুঃখজনক। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। তার দাবি, অশান্তি পাকানোর পিছনে বিজেপি ও সিপিএমের হাত থাকতে পারে।

