এবার মৎস্যজীবীদের জন্য ক্রেডিট কার্ড। হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একই সঙ্গে নয়াচরে ফিশিং হাব করারও পরামর্শ দিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মৎস্য দফতরের সচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, “নয়াচরটাকে দেখো। বড় ফিশিং হাব হতে পারে। জেলেদের প্রশিক্ষণ দিয়ে, বাড়ি করে দিয়ে, ইকোট্যুরিজেমের আওতায় বড় ফিশিং হাব হতে পারে। পুরো জায়গাটা পড়ে রয়েছে।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর সামনে মৎস্যজীবীদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ড পেতে অসুবিধা হওয়ার কথা জানান মৎস্য দফতরের সচিব। বিষয়টি শুনে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় নির্দেশ দেন, “কিষাণ ক্রেডিট কার্ড আলাদা থাকুক। মৎস্যজীবীদের জন্য আলাদা ক্রেডিট কার্ড করে দেওয়া হোক।” এরপর ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প নিয়েও নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। কড়া ভাষায় জানান, ‘এই প্রকল্পে যেন দুর্নীতি না হয়’। তিনি বলেন, “কেউ যেন টাকা না নেয়। যার প্রয়োজন ,সে পাবে। যাঁর চারতলা বাড়ি আছে সে বাংলার বাড়ি পেল। যাঁর কিছু নেই সে পেল না। তেমনটা যেন না হয়। তফশিলি, আদিবাসী, সংখ্যালঘু, ওবিসিদেরটা আগে করতে হবে।” হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে সাংবাদিকদের জন্য চালু হওয়া ‘মাভৈ’ প্রকল্প বাতিল করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার বদলে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় আনতে বললেন।

